Loading...

পার্বত্য চট্টগ্রামে কফি, কাজুবাদাম চাষের উদ্যোগ

| Updated: February 28, 2021 17:56:05


পার্বত্য চট্টগ্রামে কফি, কাজুবাদাম চাষের উদ্যোগ

অর্থকরী ফসল হিসেবে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকায় সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় কফি, কাজুবাদাম ও ড্রাগন ফল চাষের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কফি, কাজুবাদাম ও ড্রাগন ফল চাষের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার সকল কৃষককে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহয়তা প্রদান করা হবে। ফলে, অদূর ভবিষ্যতে এই ফলগুলো রপ্তানির ক্ষেত্রও প্রসারিত হবে।

গত শুক্রবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাহাড়ি এলাকায় এই শস্যগুলোর ব্যাপক ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের ফলে কৃষকরা তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধন করতে পারবে।

চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই চারটি জেলায় চাষাবাদের ক্ষেত্রে সমস্যা এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সময় মন্ত্রী তার এ মত পৣকাশ করেন।

পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষিক্ষেত্র আরো প্রসারিত এবং লাভজনক করার লক্ষ্যে ডক্টর রাজ্জাক মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, মিশ্র চাষের ব্যাপারে কৃষকদের অবগত ও সচেতন করার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের আরো যত্নশীল ও স্ব-উদ্যোগী হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, “এভাবে কাজ করে গেলে আমরা সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো”।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক একেএম মনিরুল আলম, হর্টিকালচার শাখার পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হুদা এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের রাঙামাটি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত  অতিরিক্ত পরিচালক পবন কুমার চাকমা। চাষাবাদের বিভিন্ন বিষয়ে তারাও মতামত ব্যক্ত করেছেন।

ডক্টর রাজ্জাক বলেন, পার্বত্য চটগ্রাম অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে ৭২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল খননের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, দেশের কৃষিব্যবস্থা আধুনিকীকরণ ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে ২১১ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা দেশের প্রান্তিক কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের বরাতে বলা হয়েছে, দেশের অপ্রচলিত বিভিন্ন অর্থকরী ফসলের চাষাবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা সংস্থার সাথে যৌথভাবে তারা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, কফি, বিভিন্ন প্রকার বাদাম, ড্রাগন ফল ও অন্যান্য অর্থকরী ফসল চাষাবাদের ক্ষেত্রে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা সংস্থা বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করছে।

Share if you like

Filter By Topic