মাস্কাট থেকে ঢাকায় ফেরার পথে আকাশে হার্ট অ্যাটাকের শিকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুমের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখার উপ মহা ব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা খবর পেয়েছি, তিনি এখন নাগপুরের কিংস ওয়ে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
বিমানের দিল্লি অফিসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শুক্রবারই নাগপুর পৌঁছেছেন। তিনি সার্বক্ষণিক পাইলট নওশাদের খোঁজ খবর রাখছেন বলে তাহেরা খন্দকার জানান ।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) সভাপতি মাহবুবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদকে নাগপুর কিংস ওয়ে হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তার পাশে তার দুই বোন আছেন।
সেখানে নওশাদের চিকিৎসার জন্য একটা বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বোর্ড তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানালে আমরা নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য দিতে পারব।
১২৪ জন যাত্রী নিয়ে শুক্রবার সকালে মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২ ফ্লাইটের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুম।
মাঝ আকাশে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে কোপাইলট কলকাতার এয়ার কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পরে নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি।
একটি অ্যাম্বুলেন্স রানওয়েতে অপেক্ষাতেই ছিল। বিমান নামার পরপরই পাইলট নওশাদকে নিয়ে সেটি হাসপাতালে যায়। সেখানে নেওয়ার পরপরই তার এনজিওগ্রাম করা হয় বলে জানান বাপা সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
বর্তমানে কিংসওয়ে হাসপাতালের মেডিকেল সার্ভিসেসের পরিচালক সুভরজিৎ দাশগুপ্ত, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ফিজিশিয়ান রঞ্জন বারোকার এবং বীরেন্দ্র বেলেকারের অধীনে চিকিৎসাধীন ক্যাপ্টেন নওশাদ।
ঢাকা থেকে একদল ক্রু পাঠিয়ে বিমানের বিজি-২২ ফ্লাইট এবং যাত্রীদের সেদিন রাতেই ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।