হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে যেয়ে পর পর দুটি উইকেট হারালো বাংলাদেশ। যেন একটি উইকেটের হাত ধরে এলো আরেকটি উইকেট। এতে হুট করেই চাপে বাংলাদেশ।
নিজের ২০০তম ওয়ানডেতে প্রথম বলেই আউট হয়ে গেলেন মাহমুদউল্লাহ।
উইকেট নেওয়ার মতো ডেলিভারি ছিল না এটিও। অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি কাট করে হালকা ঢোকে ভেতরে। মাহমুদউল্লাহ শরীর থেকে দূরে শট খেলার চেষ্টা করেন। বল তার ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে যায় কিপারের গ্লাভসে।
দারুণ সেঞ্চুরিতেও করলেও কাজ শেষ করে ফিরতে পারলেন না তামিম। আউট হলেন ৯৭ বলে ১১২ রান করে।
তামিম সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৮৭ বলে; যেটা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার চতুর্থ, সব মিলিয়ে চতুর্দশ।
ওয়ানডেতে এটাই তার দ্রুততম সেঞ্চুরি। আগের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল ৯৪ বলে, ২০১০ সালে মিরপুরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।
আগে থেকেই ওয়ানডেতে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড বাঁহাতি এই ওপেনারের। ৯ সেঞ্চুরি নিয়ে দুই নম্বরে থাকা সাকিবের সঙ্গে ব্যবধান আরও বাড়ালেন তিনি।
দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে বলেছিলেন, তার নিজের ও সাকিবের ব্যাট থেকে বড় ইনিংস দেখতে চান তামিম। অপরাজিত ৯৬ রানের ইনিংসে খেলে অধিনায়কের চাওয়া সেই ম্যাচেই পূরণ করেন সাকিব। এবার বড় ইনিংস খেললেন তামিম নিজেই।
গত বছর মার্চে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করার পর আর তিন অঙ্কের দেখা পাচ্ছিলেন না তামিম। মাঝে ১১ ইনিংসে চারবার পান ফিফটির দেখা, সর্বোচ্চ ৭৮।
এই ম্যাচে তার শুরুটা ছিল সাবধানী। ২৫ বল খেলে তার রান ছিল ১৬। সেখান থেকে পঞ্চাশ করেন ৪৬ বলে।
এরপর খেলে যান প্রায় একই ছন্দে। ৮৭ বলে পৌঁছান তিন অঙ্কে। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে ৭ চার ও ৩ ছক্কা। সেঞ্চুরি করেই কাজ শেষ হয়নি।