কন্যা শিশুকে মসজিদে নিয়ে যাওয়ায় শুরু হওয়া তর্ক ও সংর্ষের জেরে বাংলাদেশের নরসিংদীর একটি গ্রামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। খবর বিবিসি বাংলা'র।
নরসিংদীর রায়পুরা থানার উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে রবিবার।
ওই ঘটনায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নরসিংদীর রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলছেন, বৃহস্পতিবার বাহাদুরপুর গ্রামের একটি মসজিদে স্থানীয় একজন ব্যক্তি তার শিশুকন্যাকে সাথে নিয়ে ইফতার করতে গিয়েছিলেন।
কন্যা শিশুকে মসজিদে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সেখানকার আরেকজন ব্যক্তির সঙ্গে তার তর্ক হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এর জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
দুই পরিবারের সদস্যরা সেই সংঘর্ষে অংশ নেন।
এক পর্যায়ে গ্রামের আরো মানুষ এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
নিহতের পরিবার থানায় যে লিখিত অভিযোগ করেছে, সেখানে তারা লিখেছেন নিহত লালচান মিয়া সংঘর্ষে অংশ নেননি, তিনি শুধু সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করছিলেন।
এসময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
সেদিন রাতেই তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রবিবার দুপুরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় হয় লালচান মিয়ার।
ওই সংঘর্ষের পরদিন লালচানের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছিল।
ওসি আজিজুর রহমান জানাচ্ছেন, এ ঘটনায় ১২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।
একজনকে তারা গ্রেপ্তার করেছেন।
গ্রামটির বহু মানুষ এ ঘটনার পর পালিয়ে আছে বলে জানা যাচ্ছে।
গত বছরের অক্টোবর মাসেই এই রায়পুরার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি নামে একটি চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত আর অন্তত ২০ জন আহত হয়েছিল।
