স্কুফ নামের এক সিরাপের ১৮৪টি বোতল উদ্ধার করে পুলিশ জানিয়েছে, ফেনসিডিলের মতোই এটি মাদক হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
গোয়েন্দা পুলিশ শুক্রবার রাতে ঢাকার খিলগাঁও থানা এলাকার নাগদারপাড় সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে স্কুফসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে।
তারা হলেন- মো. জুয়েল (৩০), হুমায়ুন কবির (৩০), মো. সাদেক (২৫) ও মো. লিটন (৩৫)।
তাদের কাছে ১৮৪ বোতল স্কুপের পাশাপাশি দুইশ কেজি গাঁজাও পাওয়া গেছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
শনিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, “এ ধরনের মাদক এই প্রথম ধরা পড়ল। এগুলো ওষুধ বলা হলেও ওষুধ না। এগুলো মাদক, অবৈধভাবে ফেনসিডিলের রুট দিয়ে বাংলাদেশে আসছে।”
ফেনসিডিল সিরাপ মূলত ভারত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে এসে থাকে।
‘স্কুফ’ কফ সিরাপ নামে পরিচিত। বোতলের গায়ের লেবেল অনুযায়ী, ভারতের ‘ল্যাবোরেট ফার্মাসিটিউক্যাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এগুলো তৈরি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা বলেন, দেশের বাইরে প্রস্তুত করা মাত্রাতিরিক্ত কোডিনযুক্ত এধরনের বিভিন্ন নামে মাদক ফেনসিডিলের মতো দেশে আসছে। এসব অবশ্যই আইনের আওতায় আসবে।
গ্রেপ্তার চারজনকে উদ্ধৃত করে গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, “সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয় নগর এলাকা থেকে একটি পিকআপে শাকসবজির আড়ালে এসব মাদক ঢাকায় আনা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।”
