দুই শিশু সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর হাত ধরে খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এ তথ্য দিয়ে বলেন, তাকে ‘অন্যায়’ ও ‘বেআইনিভাবে মিথ্যা মামলায়’ কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে আওয়ামী লৗগ ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
“কারণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে দুই শিশুর হাত ধরে, আজকে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর হাত ধরে, তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।”
খালেদা জিয়া ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে দাবি করে সরকারে উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে আপনারা তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছেন। এখন তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছেন, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।”
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের ক্ষণে দেশের যেসব উন্নয়ন হয়েছে বলে সরকার দাবি করছে, তার সবটাকে খারিজ করে দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এই ৫০ বছরে গরিব আরও গরিব হয়েছে। এখানে কিছুসংখ্যক আওয়ামী লীগের সহায়তাপুষ্ট, মদতপুষ্ট কিছু বড়লোক আরও ধনী হয়েছে।
“আজকে আমাদের দেশের কৃষকেরা তারা তাদের পণ্যের দাম পাচ্ছে না, শ্রমিকেরা তাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছে না।”
মহানগর নাট্যমঞ্চে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বিএনপি মহাসচিবের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম আজাদ, মহানগর দক্ষিনের রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের আমিনুল হক, যুব দলের সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, কৃষক দলের হাসান শহিদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব বক্তব্য দেন।
