আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের গতি ধরে রেখে ব্যবসা বাণিজ্য সচল রাখতে চলতি মূলধন ঋণের সীমা বাড়ানোর সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এ সীমা নির্ধারণ করা যাবে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সার্কুলার ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা এখনই কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে আর্ন্তজাতিক বাজারে কাঁচামালসহ বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়েছে এর ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে।
এতে ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে চলতি মূলধন হিসেবে যে ঋণ নিয়েছে সেখানে চলতি মূলধন ঋণ সীমার সর্বোচ্চ ব্যবহারের পরও চাহিদা মত প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম দিতে পারছে না।
এর ফলে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উত্পাদন করা যাচ্ছে না, যা দেশের আমদানি ও রপ্তানিসহ ব্যবসা বাণিজ্যকে বিঘ্নিত করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এ কারণে উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রাখা এবং আমদানি-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে চলতি মূলধন ঋণ সীমা যৌক্তিক পর্যায়ে বাড়ানো দরকার।
এ ঋণ সীমা প্রয়োজনের নিরিখে এবং অন্তর্বতীকালীন সময়ের জন্য ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে, ঋণ ঝুঁকি নিরসন বা হ্রাস করে এবং গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে বাড়াতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।