উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের যে ক্রেইনটি ভারসাম্য হারিয়ে গার্ডারের চাপায় এক পরিবারের পাঁচজনের প্রাণ গেছে, সেটি চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী, এ কাজের কোনো প্রশিক্ষণ তার নেই। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
আর চালক সে সময় বাইরে থেকে তাকে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন, তারও ভারী যানবাহন চালানোর লাইসেন্স নেই বলে জানিয়েছে র্যাব।
দুদিন আগের ওই ঘটনায় নয়জনকে গ্রেপ্তার করার পর বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন,বিআরটি প্রকল্পের ঠিকাদার চায়না গ্যাঝুবা গ্রুপ করপোরেশন (সিজিজিসি) ভারী যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে ইফসকন নামের একটি দেশীয় কোম্পানি থেকে। ইফসকনের কাছে বড় ক্রেইন না থাকায় সেদিন বিল্ড ট্রেড কোম্পানির কাছ থেকে ওই ক্রেইনটি ভাড়া নিয়েছিল।
গ্রেপ্তার নয়জন হলেন- ক্রেইন অপারেটর আল আমিন হোসেন হৃদয় (২৫), তার হেলপার রাকিব হোসেন (২৩), দুর্ঘটনাস্থলে নিরপাত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ফোর ব্রাদার্স গার্ড সার্ভিসের ট্রাফিক ম্যান মো. রুবেল (২৮), আফরোজ মিয়া (৫০), ঠিকাদার কোম্পানির সেইফটি ইঞ্জিনিয়ার জুলফিকার আলী শাহ (৩৯), হেভি ইকুইপমেন্ট সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত ইফসকন বাংলাদেশ লিমিটেডের মালিক ইফতেখার হোসেন (৩৯), হেড অব অপারেশনস আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), ক্রেন সরবরাহকারী বিল্ড ট্রেড কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন তুষার (৪২), প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মঞ্জুরুল ইসলাম (২৯)।
রাজধানীর জুরাইন, যাত্রাবাড়ী, কালশি, সাভার এবং গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
