তালেবানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী আহমাদ জিলালির নাম এসেছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপনায় যুক্ত এই আফগান রাজনীতিককেই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
তালেবান জিলালিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নিয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে রয়টার্স লিখেছে, আশরাফ গানির সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর জিলালিকেই ‘সম্ভাব্য গ্রহণযোগ্য’ ব্যক্তি বলে মনে করা হচ্ছে, যিনি এই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দেখভাল করতে পারেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
গত তিন মাসে একের পর এক শহর দখল করে তালেবান যোদ্ধারা রোববার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে প্রবেশে করে।
তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সে সময় এক বিবৃতিতে বলেন, কাবুল যেন শান্তিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করে, সেজন্য আফগান সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে। ‘শান্তিপূর্ণ ও সন্তোষজনক’ ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে ঐকমত্য না হওয়া পর্যন্ত তাদের যোদ্ধারা কাবুলের সব প্রবেশ পথে পাহারায় থাকবে।
পরে আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল সাত্তার মিরজাকওয়াল স্থানীয় টোলো টিভিতে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় বলেন, একটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ‘শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের’ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তালেবান কাবুলে হামলা করবে না।
এর প্রস্তুতি নিতে তালেবান মধ্যস্থতাকারীদের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দিকে রওনা হওয়ার খবর আসে এর পরপরই।
তালেবান যোদ্ধারা কাবুলের দুয়ারে পৌঁছে যাওয়ার সময়ই যুক্তরাষ্ট্র তাদের কূটনীতিকদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া শুরু করে; কাবুল বিমানবন্দর ও দূতাবাস সুরক্ষিত করতে নতুন করে সেনাও পাঠানো হয়।
