সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার কলাবাগান এলাকার তেঁতুলতলা খেলার মাঠ সম্পর্কিত সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার আন্দোলনকর্মী সৈয়দা রত্না ও তার ছেলে কে আইন-শৃংখলা বাহিনীর আটক ও পরবর্তীতে মুচলেকা প্রদানের মাধ্যমে মুক্তি দেবার ঘটনাসমূহ অনাকাংখিত ও অনভিপ্রেত বলে মনে করে আইপিডি।
এই মাঠ রক্ষার জন্য স্থানীয় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলনকে আন্তরিকভাবে আমলে নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে সমাধানের আন্তরিক উদ্যোগ থাকলে এই অনভিপ্রেত ঘটনা এড়ানো যেত বলে বিশ্বাস করে আইপিডি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেঁতুলতলা মাঠে থানা না করে অন্য কোন বিকল্প জায়গা খূঁজে বের করবার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবানকে স্বাগত জানাচ্ছে আইপিডি।
আইপিডি জানায়, অতি ঘন এলাকা কলাবাগানে আনুমানিক ৩০ হাজারের মত মানুষের বসবাস করেন। প্রতি ৫ হাজার মানুষের জন্য একটি খেলার মাঠ দেয়া হলেও এই এলাকায় ৬টি খেলার মাঠ থাকবার কথা, আকার-আয়তনে যা ৬ থেকে ১০ একর হবার কথা। তেঁতুলতলা মাঠের আয়তন এক বিঘার মত, ফলে এই স্থানটিও পরিকল্পনার মানদণ্ড অনুযায়ী শিশু-কিশোরদের খেলবার মত পর্যাপ্ত নয়।
সংস্থাটি মনে করে, এই খেলার মাঠ রক্ষার আন্দোলন নিয়ে স্থানীয় জনগণ ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থান রাষ্ট্রের জন্য যেমন কল্যাণকর নয়, তেমনি কোমলমতি শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ ও রাষ্ট্রের প্রতি আন্তরিক দৃষ্টিভংগি গড়ে তোলবার পক্ষে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।
রাষ্ট্র ও সরকার আন্তরিক হলে সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল এলাকায় খেলার মাঠ সহ সকল নাগরিক সুবিধাদির প্রয়োজনীয় সংস্থান করা সম্ভব বলে জানায় সংস্থাটি।