করোনাভাইরাসের বিস্তার মোকাবেলায় সারাদেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এই কমিটি মাঠ পর্যায়ে জনসচেতনতা তৈরি, চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া, টিকা নেওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং সহায়তা দিতে কাজ করবে।
শনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধ সম্পর্কিত এক সভায় কমিটি গঠনের এ সিদ্ধান্ত হয় বলে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়।
প্রস্তাবিত কমিটিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতা, স্বাস্থ্য, যুব, কৃষি, আনসার ভিডিপির মাঠ কর্মকর্তা, মসজিদের ইমাম, এনজিও প্রতিনিধি এবং হাট-বাজার সমিতির প্রতিনিধিরাও থাকবেন।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১০ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৯ জনের।
আগে সংক্রমণের প্রকোপ মূলত মহানগর এলাকাগুলোতে বেশি হলেও এ ভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরন এখন গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় নতুন রেকর্ড হচ্ছে প্রায়ই।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে চলছে লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হলে গ্রেপ্তার ও জরিমানাও করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে শনিবারের সভায় করোনাভাইরাস ছড়ানোর বিভিন্ন কারণ এবং তা প্রতিরোধ বিষয়ে বয়স্ক ও বিভিন্ন রোগের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা মানুষকে সচেতন করতে আরও প্রচার চালানোর জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ, তথ্য সচিব মো. মকবুল হোসেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম সভায় উপস্থিত ছিলেন।
