Loading...

করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন এ পর্যন্ত ৪৪ দেশে শনাক্ত: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

| Updated: May 12, 2021 19:34:13


রয়টার্স ফাইল ছবি রয়টার্স ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভারতীয় ধরনটি বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ।

মহামারী নিয়ে বিশ্ব সংস্থাটির সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মপরিধির ছয়টি অঞ্চলের ৪৪টি দেশে চার হাজার ৫০০টিরও বেশি নমুনায় ভারতীয় ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। জিনগত তথ্যভাণ্ডার জিআইএসএআইডি থেকে এই সংখ্যা গণনা করা গেছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

ভারতের বাইরে যুক্তরাজ্যে এই ধরনটির সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এর আগে ডজনখানেক দেশে এই ধরনটি শনাক্ত হয়েছে জানিয়ে সংস্থাটি বলছে, “ডব্লিউএইচও নতুন আরও পাঁচটি দেশে ধরনটি শনাক্ত হওয়ার প্রতিবেদন পেয়েছে।”

প্রায় দেড় বছর আগে মানুষে সংক্রমিত হওয়া নতুন করোনাভাইরাস প্রতিনিয়ত রূপ বদল করে চলছে।

এর মধ্যে গত বছর ভারতে এর যে পরিবর্তিত রূপ শনাক্ত হয়েছে, তার আনুষ্ঠানিক নাম বি.১.৬১৭ হলেও এটি ‘ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্ট’ নামেই পরিচিতি পেয়েছে। এটার তিনটি ‘সাব টাইপ’র মধ্যে একটি বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় ধরনটিকে ‘বিশ্বের উদ্বেগ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

‘বেশ কয়েকটি দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া অব্যাহত থাকায়’ এই ধরনটিকে যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া কোভিড- ১৯ এর অতি সংক্রামক আরও তিনটি ধরনের সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হয়।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই ধরনগুলোকে চীনের উহানে পাওয়া করোনাভাইরাসের মূল ধরনের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক মনে করা হচ্ছে। এসব ধরন অতি সংক্রামক, আগের চেয়ে বেশি প্রাণঘাতী এবং কিছু ক্ষেত্রে টিকার প্রতিরোধ ক্ষমতার এড়াতে পারে।

করোনাভাইরাস মহামারীতে এখন বিপর্যস্ত ভারত। বিশ্বে দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ডের পর রেকর্ড হচ্ছে দেশটিতে। এজন্য বি.১.৬১৭ কেই দায়ী করা হচ্ছে।

ডব্লিউএইচও বলছে, গত বছরের অক্টোবরে বি.১.৬১৭ ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল। 

সংস্থাটি বলছে ‘প্রাথমিক তথ্য’ অনুযায়ী এই ভাইরাসটি কোভিড- ১৯ চিকিৎসায় ব্যবহার করা এন্টিবডির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারে।

এছাড়া পরীক্ষাগারের আগের গবেষণাগুলোয় ভাইরাসটিকে অ্যান্টিবডি দিয়ে অকার্যকর করার ক্ষেত্রেও ‘সীমিত সাফল্য পাওয়ার” কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ডব্লিউএইচও বলছে, ভারতীয় এই ধরনটির ওপর টিকার কার্যকারিতা “সম্ভবত সীমিত”।

Share if you like

Filter By Topic