তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিযেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান বলেছেন, ইসলামকে তিনি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, তাই ব্যাংকের সুদের হার আর বাড়ানো তার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যাংকের সুদের হার নিয়ে তার এমন অনড় অবস্থানে তুর্কি মুদ্রা লিরার পতনশীল মূল্যের আরো অবনতি ঘটেছে। গত তিন মাসে মুদ্রা বাজারে লিরার মূল্য কমে অর্ধেকে ঠেকেছে। তবে অতিসম্প্রতি মূল্য আংশিক পুনরুদ্ধারও হয়েছে। তারপরও তুর্কিতে মূল্যস্ফীতির হার এত বেশি যে, বিপণীকেন্দ্রের কর্মীদেরকে এর সাথে তাল রেখে পণ্যের গায়ে সাঁটা মূল্য-তালিকা বদলাতে বদলাতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তবে এরপরও এরদোগান নিজের ভূমিকা থেকে নড়েননি। তিনি জোর গলায় বলেন, একজন মুসলমান হিসেবে, ধর্ম যে নির্দেশ দিয়েছে তা মেনে চলব। এটাই ধর্মীয় প্রত্যাদেশ।
প্রত্যাদেশ, ধর্মীয় প্রত্যাদেশ? প্রিয় প্রেসিডেন্ট, নিশ্চয়ই একজন মুসলমান বীর হওয়ার আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আপনি পবিত্র কুরআন শরীফ পড়েছেন। এতে সুস্পষ্ট প্রত্যাদেশ দেওয়া হয়েছে: আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন (২:২৭৫)। এখানে নিষিদ্ধ মানে নিম্নমাত্রায়, মধ্যমাত্রায় বা উচ্চমাত্রায় নিষিদ্ধ করা নিয়ে সংলাপ নয় - নিষিদ্ধ মানে পুরোপুরি নিষিদ্ধ, সুদের ব্যবহার থাকবে শূন্য পর্যায়ে, একেবারে শূন্য। হারাম হারামই। এই একই কারণে প্রাথমিক যুগের সকল মুসলিম পণ্ডিত, ধর্মবেত্তা বা উলামা সমাজ সুদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
অনেক আলেম বা ধর্মবেত্তা, বিশেষ করে আরব এবং পাকিস্তানিরা, আজ অব্দি সুদকে নিষিদ্ধ হিসেবেই গণ্য করেন। ২০১৪ সালে, ফিকহি মজলিসের অন্তর্গত পাকিস্তানের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ঘোষণা করেন যে, এমনকি তথাকথিত শরিয়া-সম্মত ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা শুধু সুদের নামকে পরিবর্তন করে মুনাফা রেখেছে। তারা এ ধরণের তৎপরতাকে তাদের ভাষায়, প্রতারণা হিসেবে অখ্যায়িতও করেন। পরিশেষে তারা বলেন, সব ব্যাংকিং ব্যবস্থা হারাম।
ঐতিহাসিক দিক থেকে তাকালে দেখতে পাওয়া যাবে, ১৮ শতক পর্যন্ত মুসলমান দেশগুলোতে ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিল। এর কারণ হলো, শূন্য সুদ ছাড়া আর কিছুরই অনুমোদন দেয় না ইসলাম।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চালকের আসনে বসিয়েছেন আবেগকে, আর যুক্তিকে দিয়েছেন পেছনের আসনে ঠেলে।
এরতুগ্রুল। ছবিঃ ইন্টারনেট
অবশ্য তুরস্কের উসমানিয় শাসকরা আদর্শবোধ থেকে পরিচালিত হননি। বরং বাস্তবধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি সম্বল করেই সাম্রাজ্য পরিচালনা করেছেন তারা। তাই ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর আরোপিত ধর্মীয় বাধা-নিষেধ ভেঙে দেন উসমানিয়রা। কারণ তারা ভাল করেই জানতেন যে কোন ব্যাংকিং ব্যবস্থা না থাকলে বাণিজ্যিক লেনদেনও থাকবে না। কাজেই পশ্চিমাদের বের করা এই অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা যাই হোক না কেন গ্রহণ করতে হবে। তবে নিরাপদে থাকার জন্য, ইউরোপীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে জায়েজ ঘোষণা করবে এমন কিছু মুফতি সন্ধান করেন তারা। এমন মুফতিদের খুঁজে পেয়েছিলেন উসমানিয়রা। ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই জায়েজ ঘোষণা করা হয়েছিল না কী তা মর্জি-মাফিক বানানো হয়েছিল সে বিষয় তর্ক চলতে পারে অবিরাম।
এরদোয়ানের তুরস্কে রাষ্ট্র এবং ধর্ম বাধা আছে একসূত্রে; আদর্শিক অবস্থান তুচ্ছ করছে বাস্তবতাকে। তবুও, ধাঁধার ঘোর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। সে ধাঁধাটি হলো, ছয় শতাংশ সুদের হার কীভাবে অনৈসলামিক হলো কিন্তু চার শতাংশ হার হলো বৈধ? তা হলে সুদের হার পাঁচ শতাংশ হলে কী বলা হবে?
এ ধরনের প্রশ্নে অস্বস্তি বোধ করেন এরদোয়ান। কারণ, কল্পনায় নিজেকে তিনি এরতুগ্রুল-সদৃশ ব্যক্তিত্ব বলে মনে করেন, তার পরম জ্ঞানে অগাধ বিশ্বাস। তুর্কি ব্যবসায়ী সম্প্রদায় তার বিশ্বাস-চালিত অর্থনৈতিক নীতিতে প্রভাবিত হয়নি। সম্প্রতি এরদোয়ান তাদের বিরুদ্ধে একহাত নিয়েছেন। লিরার মূল্যপতন নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব শেষে সরকার পতনের চক্রান্তের দায়ে তাদেরকে অভিযুক্ত করেন এরদোয়ান। তাদের অমন প্রত্যাশা বৃথা যাবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।
এরদোয়ান শুধুমাত্র একটি উদাহরণ। ধর্ম বা ধর্মনিরপেক্ষ উভয় আদর্শের ক্ষেত্রে আবেগে টেনে নিয়ে বানিয়ে দেওয়া হয় প্রধান চালিকাশক্তি। আর যুক্তিকে ঠেলে নেওয়া হয় পেছনের আসনে। তুরস্ক সমস্যায় রয়েছে, তবে এও ঠিক যে সমস্যার দিক থেকে বিচার করলে দেখা যাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন পড়েছে সমস্যার গভীর পানিতে। এমনকি ট্রাম্প-পরবর্তী যুগেও সিনেট এবং কংগ্রেস উভয় কক্ষেই অনেক নির্বাচিত কর্তাকে পাওয়া যাবে যারা মতাদর্শগত দিক থেকে একপেশে, উগ্র, ডানপন্থী খ্যাপাটে কিসিমের মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বিশ্বাস করে না বা মানে না। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে কমিউনিস্ট দখল হিসেবে ধরে নেয়। মার্কিন উচ্ছৃঙ্খল এক দল লোকের ক্যাপিটল দখলের প্রয়াসের প্রতি কোনো কোনা আইনপ্রণেতা দ্বিধাহীন বা প্রকাশ্য সমর্থন জানাতেও দ্বিধা করেনি। সুচারুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ আমেরিকা আবার সঠিক পথে ফিরে আসতে পারবে কিনা বিশ্ব এখন তাই দেখছে।
এরদোয়ানের অভিন্ন আত্মার ভাই এখন দেশের ক্ষমতায় রয়েছেন, এটাই হলো পাকিস্তানের দুর্ভাগ্য। ক্রমাগত রুপির মূল্যপতন ঘটছে - সে কথা ভুলে যান শীঘ্রই অবশ্যই আবার রুপির দাম কিছুটা চড়বে। পাকিস্তানের সবাই আবার খানিকটা সময়ের জন্য সন্তুষ্ট হবে।
এরচেয়ে গুরুতর বিষয় হল যে পাকিস্তানের স্কুলগুলো অজ্ঞ, গোঁড়া, অতি-ধর্মবাদী, শিয়ালকোট- ধরনের (গত ৩ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোট শহরে শত শত মানুষ এক শ্রীলঙ্কান কারখানা ব্যবস্থাপককে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের একটি দলের কারখানা দেখতে আসার কথা ছিল। তার আগেভাগে ব্যবস্থাপক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী প্রিয়ন্তা কুমারা শুধুমাত্র কারখানার যন্ত্রপাতি থেকে চরম ডানপন্থী একটি দলের স্টিকার সরিয়ে ফেলেছিলেন। এতে পবিত্র কুরআনের আয়াত লেখা ছিল। এ ঘটনাকে ইসলাম অবমাননা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকদের ক্ষেপিয়ে তোলা হলে ক্রুদ্ধ জনতা প্রিয়ন্তা কুমারাকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়, পিটিয়ে হত্যা করে এবং তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।) পিটিয়ে মানুষ হত্যা করার দল তৈরি করছে যাদের কিনা কোনো ধরণেরই কর্ম-দক্ষতা নেই। এটি আরও জঘন্য হয়ে দেখা দেবে যখন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মস্তিষ্ক প্রসূত কথিত আদর্শ অনুপ্রাণিত একক জাতীয় পাঠ্যক্রম (সংক্ষেপে এনএসসি) গোটা পাকিস্তানে কার্যকর হবে।
এসএনসির কৃপায় সাধারণ স্কুলগুলোকে মাদ্রাসার সাথে গাঁটছড়া বেঁধে দেওয়া হবে। সারা দেশের সাধারণ স্কুলগুলোকে টেনে-হিঁচড়ে মাদ্রাসায় পরিণত করা হচ্ছে। এসএনসি-পূর্ব পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ ছিল। যেখানে পড়া, লেখা এবং যুক্তিভিত্তিক কৃতিত্বের হার ছিল খুবই কম। এসএনসি এই মুখস্থ করে পাস করার গড্ডল ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে। পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর এটি মরণ আঘাত হানবে। একদিকে শিশুরা প্রচুর পরিমাণে ধর্মীয় উপকরণ মুখস্থ করবে। অন্যদিকে, প্রতিটি বিষয়ের জন্য কেবল একটি সরকারি পাঠ্যপুস্তক নির্দিষ্ট করা থাকবে আর সেই বইয়ের নির্বাচিত অংশ মুখস্থ করে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পেতে পারবে।
বৈশ্বিক মানের ভিত্তিতে বিবেচনা করলে পাকিস্তানের শিশুরা বর্তমানে কৃতিত্বের তলদেশ দাঁড়িয়ে রয়েছে। ইরান, ভারত এবং বাংলাদেশের ছাত্রের তুলনায় তারা মানহীন বিবেচিত হবে। প্রায় সবসময়ই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও গণিত অলিম্পিয়াডের মতো প্রতিযোগিতার অঙ্গনে পাকিস্তানি ছাত্রদের দেখা পাওয়া যায় না। এমন সব প্রতিযোগিতায় নামলেও খুব খারাপ ফলাফল করে। অবশ্য জাতীয় শিক্ষাক্রমের বাইরে বিদেশি পরীক্ষা পদ্ধতি, ও- এ লেভেল এবং আইবি কার্যক্রমের ছাত্ররা এক্ষেত্রে বিরল ব্যতিক্রম।
মানে পৌঁছাতে এই ব্যর্থতা ২২ শতকেও পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উজ্জ্বল ও উদীয়মান সম্ভাবনাকে অঙ্কুরেই নষ্ট করে দেয়। বিশ্বমানের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী এবং প্রযুক্তিবিদদের ঘাটতি রয়েছে পাকিস্তানে। পাকিস্তানের উন্নয়নের যাত্রা এখন কানা গলিতে এসে ঠেকেছে। সিপিএফসি-এর খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থ ব্যয়ে করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও পাকিস্তানের শিল্প, প্রকৌশল, বৈজ্ঞানিক বা ব্যবসায়িক কার্যকলাপের মরা গাঙে বান আনতে পারেনি, তরী ভাসানো, যায়নি। পাকিস্তানের আজও কোনো মহাকাশ কর্মসূচি নেই। নেই নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনে পারঙ্গম কোনো জৈবপ্রযুক্তি গবেষণাগার। নেই কোনো উল্লেখযোগ্য দেশীয় উচ্চ-প্রযুক্তি নির্ভর (হাই-টেক) শিল্প। একটি দেশের মস্তিষ্ক শক্তির পরিমাপ মাপা যায় সফটওয়্যার রফতানির হিসাব থেকে। এ খাতে গত বছর, পাকিস্তানের রফতানি ছিল সবেমাত্র ২ বিলিয়ন ডলার। ভারত রফতানি করেছে ১৪৮ বিলিয়ন ডলার।
শিক্ষাঙ্গনের দিকে তাকালে দেখা যাবে, পাকিস্তানি অধ্যাপকরা প্রতি বছর হাজার হাজার তথাকথিত গবেষণা-প্রবন্ধ মন্থন করে প্রকাশ করেন। এগুলোর বেশিরভাগেরই কোনো মূল্য নেই। আজ, পাকিস্তান একাডেমি অব সায়েন্স (পিএএস) ভুয়া প্রশংসাপত্রধারীতে ভরে গেছে। সংস্থাটির কর্তাব্যক্তিদের ঝুলিতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মান রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সংস্থার তাদের প্রতারক এবং তস্কর ভূমিকা হিসেবে উন্মোচিত করেছে। এরকম একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, রিট্র্যাকশন ওয়াচ। তবে তাদের প্রকাশনাকে পাকিস্তানের এক শ্রেণির মানুষের মধ্যে হাঁসের পালকে পানির বেশি আর কিছু নয়। ঝাড়া দিলেই পানি ঝরে যায়, পালক শুকনা থাকে। পাকিস্তানের শিক্ষা ও গবেষণা খাতে প্রতারণা এবং তস্করবৃত্তি নিয়ে পিএএসের কেউ মাথা ঘামান না বা চোখের পলক ফেলেন না। জালিয়াতি এবং দম্ভোক্তি জীবন-জীবিকার পদ্ধতি হয়ে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে।
সৎ হওয়ার নির্মম আকাঙ্ক্ষা থাকলে এই গুরু সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে। কিন্তু মারমুখো স্বঘোষিত ধর্মান্ধ উগ্রবাদীদের হাতে ক্ষমতার লাগাম যখন যায়, তখন এমন সম্ভাবনা কমে যায়। কেবল তাড়াই, একক ভাবে তাড়াই সত্য পথের দিশা জানে, সত্যকে জানে- উগ্র, গোঁড়াগোষ্ঠীর জোর গলার এমন দাবি সংস্কারকে অসম্ভব করে তোলে। তাদের একচ্ছত্র নৈতিক আবেগের কারণে যুক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা লোপ পায়। সরকারকে পরিচালিত করে কর্মহীনতার পথে।
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিজয়ে উচ্ছ্বসিত পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অনেক অনুষ্ঠানেই তালেবানকে মুক্তির স্বপক্ষ শক্তি হিসেবে তুলে ধরে আনন্দের সাথে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানেরও প্রচুর প্রশংসা বাক্য তার মুখে শোনা গেছে। ইমরান খান তালেবান তৈরিতে ভূমিকা পালনকারী পাকিস্তানি মাদ্রাসাগুলোর প্রশংসা করেছেন এবং তাদেরকে মুক্ত হাতে তহবিল যুগিয়েছেন। এখন তিনি চাইছেন, পাকিস্তানের নিয়মিত স্কুলগুলো তালেবান-শৈলীর শিক্ষার অনুকরণ মেতে উঠুক। এ লক্ষ্য অর্জনের উপায় হিসেবে এসেছে এনএনসি। পাঞ্জাবের স্কুলগুলিতে সহশিক্ষা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে বলে ২১ ডিসেম্বরের দাফতরিক বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী খানের আদর্শিক অলীক কল্পনা পূরণে পাকিস্তানকে দিতে হবে চরম মূল্য।
২৫ ডিসেম্বরের পাকিস্তানের দৈনিক ডনে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত পারভেজ হুদভয়ের নিবন্ধের ভাষান্তর। (হুদভয় ইসলামাবাদ-ভিত্তিক পদার্থবিদ এবং লেখক।)