স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজে বেড়াতে যাওয়া এক নববধূকে ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ ও ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক জীবন কৃষ্ণ আচার্যের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
আইন সচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সাময়িক বরখাস্ত বা আইন অনুসারে যেটি প্রযোজ্য, সেই ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে তাদের।
এ বিষয়ে এর আগে জারি করা রুল আংশিকভাবে যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই রায় দেয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। আর রুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারের দায় পেয়েছে আদালতের গঠন করে দেওয়া তদন্ত কমিটি। যে কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা বা তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃত করে রায়ে আদালত বলেছে, সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের পেছনে হোস্টেল সুপার ও প্রহরীদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে ওই কলেজের অধ্যক্ষও কোনোভাবে ওই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।