Loading...

এখন করোনায় আক্রান্তদের ১৫-২০ শতাংশই ওমিক্রনের রোগী, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

| Updated: January 13, 2022 15:14:56


ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড আইসিইউতে এখন সেবা দেওয়া হচ্ছে অন্য রোগীদের। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড আইসিইউতে এখন সেবা দেওয়া হচ্ছে অন্য রোগীদের। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

বাংলাদেশেও এখন করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

ঢাকার বাইরে প্রথম ওমিক্রনের রোগী শনাক্তের দিন বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেছেন, এখন আক্রান্তদের ‘১৫-২০ শতাংশই’ করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

দুই বছর আগে বিশ্বে মহামারী বাঁধিয়ে দেওয়ার পর নতুন করোনাভাইরাস রূপ বদল করে চলছে। গত বছরের শুরুতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটের বছরের শেষে আসে ওমিক্রন।

ওমিক্রনের সংক্রমণে আমেরিকা ও ইউরোপে রোগীর সংখ্যা আবার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত বাড়ছে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও।

বাংলাদেশেও কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করেছে। এরমধ্যে ডিসেম্বরে ওমিক্রনের প্রথম রোগী (বিদেশ থেকে আসা) ধরা পড়ার পর এখন অবধি ৩৩ জন শনাক্ত হলেও দেশের অভ্যন্তরে ছড়ানোর পড়ার বিষয়ে সরকারি ভাষ্য মিলছিল না।

বুধবার মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জন, বিসিপিএস ভবনে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এনিয়ে মুখ খোলেন।

তিনি বলেন, “যে হারে রোগী বাড়ছে, তাতে ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন কিছুটা হয়েছেই।

“আমাদের যে স্ট্যাটিসটিকস আসছে, তাতে দেশে এখন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ করোনা রোগীই ওমিক্রনে আক্রান্ত। কাজেই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে বলে অমি মনে করি।”

দেশে গত কয়েকদিন ধরে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বুধবার পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়েছে।

এদিন শনাক্ত হয়েছে প্রায় তিন হাজার রোগী। দৈনিক শনাক্তের হারও প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা ১২ দিন আগেও ছিল ৩ শতাংশের নিচে।

গত ১১ ডিসেম্বর জিম্বাবুয়ে ফেরত দুই নারী ক্রিকেটারের ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার খবর সরকারিভাবে জানানো হয়েছিল।

এরপর গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর একজন এবং ২৮ ডিসেম্বর চারজন, ৩১ ডিসেম্বর তিনজন শনাক্তের খবর জানায় জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা (জিআইএসএআইডি)। এ বছরের ৬ জানুয়ারি ১০ জন, ৭ জানুয়ারি একজন, ১০ জানুয়ারি নয় জনের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের তথ্য আসে জিআইএসএআইডির ওয়েবসাইটে।

‌এতদিন পর্যন্ত ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছিল ঢাকায়। বুধবার সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে তিনজনের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়ার কথা জানায় জিআইএসএআইডি।

ওই তিনজনের মধ্যে দুজন ভারতীয় নাগরিক অন্যজন বাংলাদেশি। আর ওই বাংলাদেশি বিদেশ যাননি, অর্থাৎ দেশে থেকেই তিনি সংক্রমিত হয়েছেন। 

Share if you like

Filter By Topic