ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে সেই চিরচেনা ভিড়


এফই অনলাইন ডেস্ক | Published: May 04, 2022 12:56:11


-FILE PHOTO

মহামারীর পরিস্থিাতির উন্নতি হওয়ায় ঈদের ছুটিতে সৈকত নগরী কক্সবাজার পর্যটকের আনাগোনায় আবার মুখর হয়েছে। সমুদ্র সৈকত ও কক্সবাজার শহরে এখন শুধু মানুষ আর মানুষ। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ মন্দার পর ব্যাপক পর্যটক সমাগমে হোটেল-মোটেল ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা খুশি। সৈকতে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীরা কাজ অবিরত করে যাচ্ছেন।কক্সবাজারে পর্যটকের এই স্রোত শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ঈদের টানা ছুটির প্রথম দিন পর্যন্ত কক্সবাজারের সবকটি হোটেল-মোটেলের ৮০ শতাংশের বেশি কক্ষ ভাড়া হয়ে গেছে। মঙ্গলবার কক্সবাজারের অন্তত ৫০ হাজারের মত দেশী-বিদেশী পর্যটক ভ্রমণে এসেছেন। পর্যটকদের চাহিদা মত সেবাদানের জন্য সবধরনের প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

বিপুল সংখ্যক পর্যটক সমাগমকে কেন্দ্র করে হোটেল-মোটেল ও খাবার রেস্তারাঁগুলো যাতে অতিরিক্ত দাম না নেয়, সে ব্যাপারেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইতোমধ্যে প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং কমিটি মাঠ পর্যায়ে তৎপর রয়েছে।

কক্সবাজার ঘুরতে আসা লোকজন নিরাপদ পরিবেশে দিয়ে আনন্দ উপভোগ করে গন্তব্যে ফিরতে পারবেন বলে আশা হোটেল ব্যবসায়ীদের এ নেতার।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সৈকতের লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা লোকারণ্য দেখা গেছে।

কেউ ঘুরে বেড়িয়েছেন বিস্তীর্ণ সৈকতের বালিয়াড়িতে; ঘোড়ায় চড়ছেন, বালিয়াড়িতে আলপনা এঁকেছেন। অনেক পর্যটককে ছাতার নিচে বসে সাগরের হাওয়ায় গা ভাসাতে দেখা গেছে।

শিশু থেকে বৃদ্ধ নানা বয়সীরা সাগরের লোনাজলে জলকেলি করেছেন। কেউ গোসল করেছেন; আবার কেউ শুধু পানিতে পা ঢুবিয়ে বিশার সমুদ্রকে অনুভব করেছেন। এসব অনন্দের মুহূর্তকে ফ্রেমবন্দিও করেছেন অনেকে।

এদিকে সৈকতে দেশী পর্যটকদের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটকের দেখা মিলেছে সৈকতে। তারাও বিস্তৃত সৈকতের বালিয়াড়িতে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের মত করে উপভোগ করছেন সমুদ্রের অপার সৌন্দর্য্য।

পটুয়াখালীর বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ চাকরির কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পরিবার নিয়ে থাকেন। ছুটিতে বাড়ি যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাই স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ছুটি উপভোগ করতে ঈদের একদিন আগেই কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন বলে জানালেন।

Share if you like