Loading...

ইউক্রেইন যুদ্ধ: ৬ দিনে ১৭ হাজার ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং গোপন সাইবারকোর

| Updated: March 07, 2022 22:37:13


ইউক্রেইন যুদ্ধ: ৬ দিনে ১৭ হাজার ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং গোপন সাইবারকোর

রোববার ভোরেও প্রতিবেশী এস্তোনিয়া থেকে একটি আন্তোনভ এএন-১২৪ উড়োজাহাজে রাইফেল, বুলেট ও অন্যান্য অস্ত্রের একটি চালান ইউক্রেইনের সেনাদের জন্য পাঠানো হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, ইউক্রেইনের বিমানবাহিনীর এই আন্তোনভ বিমান স্নায়ু যুদ্ধের সময়কার একটি চমৎকার প্রকৌশলের নমুনা ছিল, যখন ইউক্রেইন ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ।

এখন ওই উড়োজাহাজই রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেইনের টিকে থাকার অন্যতম এক অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে।

ইউক্রেইনে এই সামরিক সহায়তা পাঠানোর অভিযানকে ১৯৪৮ ও ১৯৪৯ সালে পশ্চিম বার্লিনে আকাশপথে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। 

যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর আশঙ্কা, ইউক্রেইনে স্থল সীমান্ত দিয়ে সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ হয়ত দ্রুতই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই তারা দ্রুত ইউক্রেইনীয়দের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে চাইছে, যাতে তারা রুশ বাহিনীকে ঠেকিয়ে ইউক্রেইনকে রক্ষা করতে পারে।

নিউ ইয়র্ক টাইম জানাচ্ছে, এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটো জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রসহ ১৭ হাজারের বেশি ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার সীমান্ত দিয়ে ইউক্রেইনে পৌঁছাতে পেরেছে। এসব অস্ত্র রাজধানী কিইভ এবং অন্য বড় শহরগুলোতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রুশ বাহিনী এ পর্যন্ত ইউক্রেইনের অন্য অংশে অভিযান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অস্ত্র সরবরাহ পথে তারা বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারেনি। তবে এসব পথেও যে হামলা হবে না, সেই আশা ইউক্রেইনের কেউ করতে পারছেন না।

এসব অস্ত্র হচ্ছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দৃশ্যমান সহায়তা। এর বাইরেও পশ্চিমা সহায়তার পরিধি বিস্তৃত রয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, পূর্ব ইউরোপের সেনা ঘাঁটিগুলো থেকে লুকানো অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার বাহিনী, যা ‘সাইবারমিশন টিম’ নামে পরিচিত, রুশদের ডিজিটাল হামলা মোকাবেলা করছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখছে। তবে তারা কতটা সফল, সে মূল্যায়ন করা কঠিন।

জার্মানি ও ওয়াশিংটনে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ইলেকট্রনিক যোগাযোগে আড়ি পেতে এবং স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে তথ্য সংগ্রহ করছেন। সেগুলো এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেইনের সামরিক বাহিনীর কাছে পাঠাচ্ছেন।

রুশ বাহিনীর কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ানো ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি এনক্রিপটেড যোগাযোগ যন্ত্র নিয়ে চলাফেরা করছেন, যেটা তাকে যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে। এটা দিয়ে তিনি যে কোনো সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন।

এই যন্ত্র ব্যবহার করে জেলেনস্কি শনিবার রাতে বাইডেনের সঙ্গে ৩৫ মিনিট কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও সহায়তা চেয়েছেন।

এখন পর্যন্ত ইউক্রেইনকে যতটুকু সহায়তা করা হয়েছে সেজন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আবারও ইউক্রেইনের আকাশে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণার দাবি জানান জেলেনস্কি। একইসঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ওপর অবরোধ আরোপ এবং যুদ্ধ বিমান দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, এটা একটা সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষার খেলা হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর জন্য। শনিবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন যখন ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে ছিলেন, তখন ওয়াশিংটনে তার জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের কর্মীরা পথ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন, কীভাবে পোল্যান্ডের মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমানগুলো ইউক্রেইনে পাঠানো যায়, যেগুলো ইউক্রেইনের বিমানসেনারা ওড়াতে জানে।

কিন্তু পোল্যান্ডের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি তারা, কারণ ওইসব বিমানের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দাবি করছে পোল্যান্ড। আর ওই দাবি পূরণের বিষয়টি জটিল হয়ে উঠেছে এ কারণে যে বর্তমান মজুদে থাকা এফ-১৬ বিমানগুলো আগেই তাইওয়ানকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে ওয়াশিংটন, যারা কৌশলগতভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র।

পোলিশ নেতারা বলেছেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি এবং তারাও উদ্বিগ্ন যে কীভাবে তারা ইউক্রেইনকে যুদ্ধবিমান দেবেন। কারণ ইউক্রেইনকে নিজেদের যুদ্ধবিমান দিয়ে সহায়তা করার অর্থ হচ্ছে পোল্যান্ডকে সরাসরি রাশিয়ার নতুন লক্ষ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য বলেছে, তারা যুদ্ধবিমান অদলবদলের এই প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি আছে।

ইউক্রেইনের আরেক প্রতিবেশী দেশ মলদোভায় সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার বলেন, “সময়সূচি সম্পর্কে কিছু জানাতে পারছি না, তবে আমি এটা বলতে পারি যে বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব সক্রিয়ভাবেই চিন্তাভাবনা করছি।”

এদিকে ওয়াশিংটনে লবি গ্রুপ ও আইনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিনামূল্যে ইউক্রেইনের জেলেনস্কি সরকারের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে, যারা এক সময় ইউক্রেইনের সরকারের কাছ থেকে মোটা অংকের ফি নিত।

ওয়াশিংটনের একটি বড় ল ফার্ম কোভিংটন অ্যান্ড বারলিং ইউক্রেইনের পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ করেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, প্রায় পৌনে শতাব্দী আগের ‘বার্লিন এয়ারলিফটে’র তুলনায় ইউক্রেইনে সহায়তা পাঠানোর এবারের অভিযান অনেক দিক থেকেই অনেক বেশি জটিল। পশ্চিম বার্লিন ছিল খুবই ছোট একটি এলাকা এবং সেখানে সরাসরি আকাশ যোগাযোগ ছিল।

আর ইউক্রেইন ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষের একটি বিশাল দেশ। সেখানে সহায়তা পাঠানো এবং একইসঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া থেকে দূরে থাকা একটি কঠিন কাজ।

কিন্তু অস্ত্র সরবরাহ এভাবে চলতে থাকলে এবং রাশিয়ার যোগাযোগ ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কে হামলা করা হলে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব হবে না বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ।

একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, যুদ্ধে জড়ানো কাকে বলে, সে বিষয়ে আমেরিকার আইনি সংজ্ঞার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংজ্ঞা নাও মিলতে পারে।

শনিবার পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যারাই ইউক্রেইনের ওপর নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে, তাদের ‘সশস্ত্র সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারী’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোমানিয়ার মত নেটো সদস্য দেশগুলোকে সতর্ক করে একটি বিবৃতি জারি করেছে, যাতে তারা নিজেদের ঘাঁটিকে ইউক্রেইনের বিমান বাহিনীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ না দেয়।

যদি তারা সেরকম কিছু করে, এবং সেখান থেকে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়, তাহলে রাশিয়া সেটাকে সেই দেশের সশস্ত্র হামলা হিসেবেই বিবেচনা করবে।

দ্রুত পাঠানো হচ্ছে অস্ত্র

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদরদপ্তর পেন্টাগনের বরাতে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গত অগাস্টে প্রেসিডেন্ট বাইডেন কিইভকে ৬ কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দেন, যা পাঠানো শেষ হয় গত নভেম্বরে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বাইডেন ৩৫ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা অনুমোদন করেন- যা আগের সহায়তার ছয় গুণ। মাত্র ৫ দিনে ওই অস্ত্র সহায়তার ৭০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়ে গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই গতিকে জরুরি হিসেবে ধরে নিয়েছেন তারা। যেহেতু রাশিয়া ইউক্রেইনের ভূমি দখল করে নিচ্ছে, তাই ইউক্রেইনীয় সেনাদের কাছে অস্ত্র পৌঁছানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানান, প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রের প্রথম চালান রওনা হয়। এর বেশিরভাগই যায় জার্মানি থেকে, যেগুলো ইউক্রেইনের সীমান্তের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

তবে এরপরেও অস্ত্র সরবরাহ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংকট দেখা যাচ্ছে। ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযান পরিচালনা বাহিনীর একজন সাবেক অধিনায়ক মেজর জেনারেল মাইকেল রিপ্যাস বলেন. “ইউক্রেইনকে সহজে সহায়তা পাঠানোর সুযোগ এখন বন্ধ হয়ে গেছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাতে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, ইউক্রেইনের নেতারা তাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মিত্র দেশগুলোর পাঠানো অস্ত্র রণক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত ইউক্রেইনের সেনারা রাশিয়ার কয়েক মাইল দীর্ঘ সাঁজোয়া বহরের গতি রুদ্ধ করে দিয়েছে।

পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের দাবি, রুশ বহরের অনেক সামরিক বাহন ছেড়ে সেনারা প্রাণভয়ে পালিয়ে গেছে। এছাড়া তুরস্কের তৈরি বেরাকটার টিবি২ ড্রোন ব্যবহার করেও রুশ ট্যাংকের বিরুদ্ধে দারুণ সাফল্য পেয়েছে ইউক্রেইনের সামরিক বাহিনী।

সাইবার যুদ্ধ, যা এখনও শুরুই হয়নি

ইউক্রেইনে চলমান যুদ্ধের একটি বিশেষত্ব হল, এটা একইসঙ্গে পুরোনো ও আধুনিক রণাঙ্গন ধারণ করে আছে। পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেইনে ইউক্রেইনীয় সেনারা যেভাবে পরিখা খুঁড়ে অবস্থান নিয়ে আছে সেটা ১৯১৪ সালের যুদ্ধের সময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

রাশিয়ার ট্যাংকগুলো যেভাবে ইউক্রেইনের শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা ১৯৫৬ সালের প্রাগ শহরের কথা মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু আধুনিক সময়ের যুদ্ধ কৌশলে যুদ্ধের প্রথম দিনেই শত্রুপক্ষের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় আঘাত হানার বিষয়টি চলে আসে - যা এই যুদ্ধে এখনও শুরুই হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ভাষ্য হচ্ছে, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ইউক্রেইনের নেটওয়ার্কে রুশ হামলার পর সেটার সুরক্ষায় ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়ার কারণেই রুশ বাহিনীর জন্য এটা করা কঠিন হয়ে গেছে। অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেb, শুধু এটা দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা যাবে না। সম্ভবত রুশ বাহিনী খুব জোরালো চেষ্টা করছে না, অথবা তারা সম্পদ সংরক্ষণ করছে।

সাইবার যুদ্ধে ইউক্রেইনকে সহায়তা করার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তারা অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রাখছেন। তারা শুধু এটুকু বলছেন, সাইবার অভিযান চলছে। অভিযানের কেন্দ্র কিইভ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাইবারমিশন দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ তাদের কর্মকাণ্ড বন্ধের তৎপরতা চালিয়েছে। মাইক্রোসফটের সহায়তায় তারা সেগুলো ঠেকিয়ে দিয়েছেন।

নতুন এই রণাঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র আসলেই ইউক্রেইনের সহযোদ্ধা কিনা তা নির্ধারণ একটু কঠিন। সাইবারযুদ্ধ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী যুদ্ধের উসকানি না দিয়েই ওয়াশিংটন মস্কোর সামর্থ্যকে সাময়িকভাবে বিঘ্নিত করার সামর্থ্য রাখে; কিন্তু স্থায়ীভাবে সেটা বন্ধ করা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও স্বীকার করেছেন যে রাশিয়ার পুরো সাইবার সামর্থ্যে হামলা করা হলেও মস্কোর পক্ষে এটা নিশ্চিত করা কঠিন যে এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র থেকেই হয়েছে না অন্য কেউ এই হামলা চালিয়েছে।

একইসঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানেও সংকট রয়েছে। আমেরিকান কর্মকর্তারা নিশ্চিত যে ইউক্রেইনের সামরিক বাহিনীতে রুশ গোয়েন্দা রয়েছে এবং তাই গোয়েন্দা তথ্য লেনদেনে তারা সতর্ক।

Share if you like

Filter By Topic