সপ্তাহের শেষ দিন সামান্য বেড়েছে বাংলাদেশের দুই পুঁজিবাজারের সূচক।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউন শুরুর পর বৃহস্পতিবার ছিল ষষ্ঠ লেনদেন দিবস, আর এই ছয় দিনই সূচক বেড়েছে পুঁজিবাজারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১১ দশমিক ৮১ পয়েন্ট বা দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৪৩৫ দশমিক ০৩ পয়েন্ট হয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। ৮৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে এদিন, যা আগের কর্মদিবসের চেয়ে ১০৬ কোটি টাকা বেশি।
ঢাকার বাজারে এদিন লেনদেন হয়েছে ৩৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যার মধ্যে ১৪৩টির দর বেড়েছে, ১৩৫টির কমেছে এবং ৭৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে শেয়ারবাজারে প্রথম লেনদেন হয় ১৫ এপ্রিল। সেদিন থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় দিনের লেনদেনে ডিএসই সূচক ১৭৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়েছে।
লকডাউনের আগে ১৩ এপ্রিল ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ২৫৮ দশমিক ৫০ পয়েন্টে। ২২ এপ্রিল তা বেড়ে ৫ হাজার ৪৩৫ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্ট হয়েছে। সে হিসেবে সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
ডিএসইতে বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানি হল- বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বিডি ফাইন্যান্স, রবি অজিয়াটা, বিএটিবিসি, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও স্কয়ার ফার্মা।
দাম বাড়ার তালিকায় শীর্ষ ১০ কোম্পানি হল- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল ফিড মিল, শাইনপুকুর সিরমিক, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, নাহী অ্যালুমিনিয়াম, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, তাকাফ্ফুল ইন্স্যুরেন্স, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ও পিপলস ইন্স্যুরেন্স।