আমাদের রেস্তোরাঁটা মূলত খাবারের, কিছু সময় শিশা ‘সার্ভ’ করা হত: ওমর সানী


FE Team | Published: May 19, 2021 16:30:57 | Updated: May 20, 2021 09:41:54


আমাদের রেস্তোরাঁটা মূলত খাবারের, কিছু সময় শিশা ‘সার্ভ’ করা হত: ওমর সানী

ঢাকার গুলশানে নিজের ছেলের মালিকানাধীন রেস্তোরাঁ মন্টানা লাউঞ্জ থেকে শিশা সেবনের সরঞ্জামসহ ছয়জন গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভিনেতা ওমর সানী বলেছেন, ওই রেস্তোরাঁটা মূলত খাবারের। কিছু সময় শিশা সার্ভ করা হত।

ওমর সানী দাবি করেন, শিশা বার চালানো অবৈধ বলে তার জানা নেই, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

তিনি বলেন, মনটানা লাউঞ্জ আমাদের। সাত থেকে আট মাস ধরে এটি চলছে। শিশার বিজনেস ইলিগ্যাল কোনো বিজনেস না। গুলশান-বনানীতে এটি ছাড়াও ৩০টির বেশি লাউঞ্জ রয়েছে।

ওমর সানী বলেন, শিশা আমার মেইন বিজনেস না। এটা থেকে আমার রিজিক চলে না। আমি আইনের সাথেই শতভাগ আছি। আমার প্রশ্ন গুলশানে কি শুধু একটাই লাউঞ্জ আছে? নামকরা শিশা লাউঞ্জগুলো পাঁচ-সাত বছর ধরে চলছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে দুই থেকে তিনশ লাউঞ্জ আছে।

যাদের পুলিশ ধরে নিয়েছে, তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, সেই ছয়জন কিন্তু নেহায়েত গরিব মানুষ, চাকরি করে খায়।

পুরো বাংলাদেশে আজকের মধ্যেই যদি সব লাউঞ্জ বন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু পার্টিকুলারলি আমাকে টার্গেট করে যদি করা হয়ে (অভিযান) থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাইতেই হবে, বলেন তিনি।

এই রেস্তোরাঁ আগে উত্তরায় ছিল জানিয়ে ওমর সানী বলেন, উত্তরার লাউঞ্জটা তিন-চার বছর চালানোর পর কোভিডের কারণে লস দিয়ে চলে আসছি।

গুলশান ১ ও ২ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝি আরএম সেন্টার নামের ভবনে থাকা মন্টানা লাউঞ্জ নামের রেস্তোরাঁয় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযানে যায় পুলিশ।

ওই রেস্তোঁরাটির তিন মালিকের মধ্যে একজন অভিনেতা দম্পতি ওমর সানী ও আরিফা জামান মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন।

গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ওই রেস্তোরাঁ থেকে দুই প্যাকেট ও আরও কিছু খোলা সীসার উপকরণ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

তবে গুলশান থানার ওসি বলেন, যেহেতু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শিশা নিষিদ্ধ, তাই প্রাথমিক যাচাইয়ের পর এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

Share if you like