বর্তমান ইসির উপর জনগণের কোনো আস্থা নেই বলে বিএনপি দাবি করে এলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।
বুধবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ইসি মোটেই অনাস্থার জায়গা নয়। জনগণের আস্থা নেই- একথা বলা যাবে না, জনগণ তো বলেনি যে আস্থা নেই, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
“রাজনৈতিক দলের লোকেরা যেটা বলেন, অনেক সময় তারা নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করে তারা বলে জনগণের আস্থা নেই। দি আস্থা না থাকে যেসব নির্বাচন হচ্ছে তাতে উপচে পড়া ভোটার থাকে কীভাবে? লাইন থাকে, ৬০-৮০ শতাংশ লোক ভোট দেয়। এটা আস্থার জায়গা।”
“জনগণের আস্থা অবশ্যই আছে, জনগণ ঠিকই ভোট দিতে যায়,” বলেন তিনি।
রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নূরুল হুদা বলেছেন, সে দেশের ডিজিটাল সিস্টেম ‘অত্যন্ত উঁচুমানের’ বলে তেমন ভোট বাংলাদেশে আপাতত সম্ভবপর নয়।
রাশিয়ার মতো ভোট বাংলাদেশে আপাতত সম্ভব নয় বললেও কত বছর পর তেমন হতে পারে, তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি নূরুল হুদা।
“সেই অবস্থায় আমরা যত তাড়াতাড়ি যেতে পারি। ততই আমাদের ভালো হবে। এটাই আমার শিক্ষা।”
ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ রাশিয়ায় ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ভোট হয়। সে নির্বাচন ব্যাপক কারচুপিপূর্ণ বলে অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর।
সে নির্বাচন দেখে আসা সিইসি বলেন, রাশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থা ‘ভালো’। নির্বাচন কেন্দ্রের বাইরে এখানে প্রার্থী বা তার সমর্থকরা প্রচারণা চালান, রাশিয়ায় সেই সুযোগ নেই।
বর্তমান কমিশনের বিদায়ের সময় ঘনিয়ে আসায় নতুন কমিশন গঠন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল হুদা বলেন, “পরবর্তী ইসি গঠন করার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। সেটা আমি সমর্থন করি।”
ঐক্যমত কীভাবে হতে পারে- প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “সেটা মহামান্য রাষ্ট্রপতি করতে পারেন। যেমন গতবার মহামান্য রাষ্ট্রপতি সব দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন। তবে সেটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। আমাদের করণীয় কিছু নেই।”
