সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আপেল ঘোষণা দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবারই জব্দ করা সিগারেট মিথ্যা ঘোষণায় দেশে এনে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয় বলে জানান চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপ-কমিশনার সালাউদ্দিন রিজভী।খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে চট্টগ্রাম স্টেশন রোডের ফলমণ্ডীর প্রতিষ্ঠান মারহাবা ফ্রেশ ফুডস আপেল ঘোষণা দিয়ে এসব পণ্য আনে। সেখানে বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটি বিদেশি ব্র্যান্ডের প্রায় ২২ লাখ শলাকা সিগারেট পাওয়া গেছে।
আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্য দিয়ে পাঁচ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করে তারা।
চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা আমদানিকৃত কন্টেইনারের কায়িক পরীক্ষা শেষে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার কর্মকর্তারা এসব সিগারেটের পান।
শুল্ক কর্মকর্তা রিজভী বলেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের মাদারবাড়ি এলাকার জিমি এন্টারপ্রাইজ পণ্য ছাড় করানোর জন্য গত সোমবার বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন। বুধবার এআইআর শাখার কর্মীরা তা বন্ধ করে কায়িক পরীক্ষা শুরু করে।
দুপুর পর্যন্ত কন্টেইনারে থাকা একহাজার ১২০টি কার্টন পরীক্ষা করে ৭৫৪টির মধ্যে আপেলের নিচে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রাখা বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র ৩৬৬টি কার্টনে ১৫ হাজার ৯৮ কেজি আপেল পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্যান্য কার্টনগুলেতে মন্ড ব্রান্ডের ছয় লাখ ৯১ হাজার ৪৮০ শলাকা, ইজি ব্রান্ডের ১৪ লাখ আট হাজার ৭২০ শলাকা ও ওরিস ব্রান্ডের এক লাখ ১৮ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।