অবসায়ন না করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডকে (পিএলএফএসএল) পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে হাই কোর্ট।
সেজন্য একটি কমিটিও করে দিয়েছে আদালত। ওই কমিটিতে কারা থাকছেন তা আদালতের লিখিত আদেশে থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
পিএলএফএসএলের আমানতকারীদের আবেদনে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের একক ভার্চুয়াল বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
পি কে হালদারের অর্থ কেলেঙ্কারিতে গাড্ডায় পড়া পিপলস লিজিং পুনর্গঠন বা পুনরুজ্জীবিত করার নির্দেশনা চেয়ে গত সপ্তাহে ২০১ জন আমানতকারী আইনজীবী শামীম আহমেদ মেহেদীর মাধ্যমে এ আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, আইন অনুযায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের কোনো বিধান নাই। তবে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো একীভূত করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের একটি পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংক নিতে পারে।
পিএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে আমানতকারীদের ‘ক্ষতির বোঝা আরও বাড়বে’ বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তানজীব-উল আলম। আর পিএলএফএসএলের সাময়িক অবসায়ক (প্রবেশনাল লিক্যুইডেটর) মো. আসাদুজ্জামানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মেজবাহুর রহমান।
আইনজীবী আহসানুল করিম পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আদালত পিপলস লিজিংকে অবসায়ন না করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। একে পুনরুজ্জীবীত করতে একটি বোর্ড গঠন করে দেবেন। সে বোর্ড কার নেতৃত্বে হবে, কে কে থাকবেন তা পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।”
