Loading...

৬৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য

| Updated: July 21, 2022 12:26:31


ফাইল ছবি (সংগৃহীত) ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

ইউক্রেইন যুদ্ধের জেরে বিশ্ব বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয় ১১.৬ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য স্থির করেছে সরকার, যাতে সাহস যোগাচ্ছে গেল অর্থবছরের রেকর্ড আয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণলায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৭ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করছে। মহামারীর মধ্যে আগের অর্থবছরে ৫২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রকৃত রপ্তানি ৬০ বিলিয়নের বেশি হয়েছে বলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন। 

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নতুন অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করে তিনি বলেন, আগের বছরের প্রকৃত আয় থেকে ১১.৩৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে নতুন অর্থ বছরে ৫৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আর সেবাখাতে ১২.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

“সামগ্রিকভাবে পণ্য ও সেবা খাত মিলে মোট ৬৭ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হবে আশা করা যায়,” বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

২০২১-২০২২ অর্থবছরের ১২ মাসে বাংলাদেশে থেকে পাঁচ হাজার ২০৮ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেশি এবং আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি।

আর সেবা খাতে গত অর্থবছরে ৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।

পণ্য ও সেবা খাত মিলে ৫১ বিলিয়ন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় মোট ৬০ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার, যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের রপ্তানির ইতিহাসে সেটাই সর্বোচ্চ আয়; বছরজুড়ে প্রবৃদ্ধির ওই অংকও অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

কোভিড মহামারীর কারণে প্রায় দুই বছর অর্থনৈতিক সংকোচন চলে বিশ্বজুড়ে। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের ফলে ক্রেতা দেশগুলোতে এখন ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। আর সে কারণেই রপ্তানিতে এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করেন টিপু মুনশি।

নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইউরোপে চলমান দাবদাহ, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতিসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জগুলোও বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

Share if you like

Filter By Topic