স্কুলশিশুদের টিকার আওতায় আনার নানা আলোচনার মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানালেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মঙ্গলবার ঢাকার মহাখালীতে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি-ইপিআই ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান তিনি, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
দেশে এখন ১৮ এর বেশি বয়সীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হচ্ছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে পারছে।
শিশুদের টিকা দেওয়ার সম্ভাব্যতা আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। এরমধ্যে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২ বছরের অধিক শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ডা. খুরশীদ বলেন, “বাচ্চাদের আমরা টিকা দেব, কিন্তু এই মুহূর্তে শুরু করব না। কিছুদিন পরে শুরু করব।
“যেহেতু বিষয়টি স্পর্শকাতর, এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের টিকা দিতে বলেছেন। এ নিয়ে আলোচনা ও প্রচেষ্টা চলছে।”
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছিলেন, শিশুদের প্রয়োগের সিদ্ধান্ত হলে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি টিকার বৈশ্বিক জোট-কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের সক্ষমতা পরিদর্শন করতেই ইপিআই ভবনে গিয়েছিলেন।
তিনি জানিয়েছেন, দেশে এখন পর্যন্ত ফাইজারের ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১০ ডোজ টিকা এসেছে। আর সংরক্ষণের সক্ষমতা আছে ৭৮ লাখ ডোজ।
এবার ঢাকার বাইরেও ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
“ফাইজারের টিকা এবার রাজধানী ছাড়াও বড় বিভাগীয় শহর ও জেলা পৌরসভায় দেয়ার পরিকল্পনা আছে।”
