Loading...

১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকারের খবরে ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

| Updated: March 08, 2022 22:20:57


১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকারের খবরে ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুই সিদ্ধান্তে পুঁজিবাজারে বড় পতন কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে দেশের উভয় পুঁজিবাজার।

মঙ্গলবার দিন শেষে তিন দিনের নিম্নমুখী ধারা থামার পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

অথচ শুরুটা হয়েছিল আগের মতোই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে শেয়ার বিক্রির মধ্য দিয়েই। এতে সপ্তাহের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার প্রথম ঘণ্টার লেনদেনেই প্রধান পুজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১১৮ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ পড়ে যায়। বেলা ১১টায় সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৫ পয়েন্ট।

ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে অস্থিরতার  যে প্রভাব দেখা দিয়েছিল তা এদিনও শুরুতে বহাল ছিল। এরপর সেকেন্ডারি মার্কেটে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বিএসইসি গঠিত পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিল (সিএমএসএফ) থেকে আরও ১০০ কোটি টাকা দ্রুত বিনিয়োগের নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। এ খবর বাজারে আসার পর পতন থেমে আস্তে আস্তে শেয়ার পরিমাণ বাড়তে থাকে।

একই সঙ্গে শেয়ার কমার বেলায় নিচের দিকে ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার দেওয়া হচ্ছে এমন খবরও বাজারে আসে। দিন শেষে এক সার্কুলারে তা বুধবার থেকে কার্যকর করার কথা জানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

তবে শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ১০ শতাংশই অব্যাহত থাকবে।

এরপর নতুন করে শেয়ার বিক্রির চাপ কমরে এবং হারানো সব শেয়ার দর ফিরে পেতে শুরু করে। দিন শেষ প্রধান বাজার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। অথচ দিনের এক পর্যায়ে তা ১৫০ পয়েন্টের মতো কমে গিয়েছিল।

এদিন এ বাজারে লেনদেনও প্রায় আগের দিনের চেয়ে ১০১ কোটি টাকা বেড়ে ৭৪৬ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়।

সপ্তাহের শুরুর দিন রোববার ডিএসইএক্স কমে যায় ৫৭ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট, সেদিন প্রায় আড়াইশ শেয়ারের দাম কমে যায়।

ইউক্রেইনে যুদ্ধের জেরে সোমবার সকালেই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেলে ঢাকার পুঁজিবাজারে ভর করে আতঙ্ক।

শেয়ার বিক্রির চাপে ডিএসইএক্স এক দিনেই ১৮২ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে যায়।

শতাংশের হিসাবে এটা ছিল গত ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন। লেনদেন হওয়া ৯৬ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম পড়ে যায় সোমবার।

Share if you like

Filter By Topic