ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের দল হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে নিষিদ্ধ করবে যুক্তরাজ্য।
ব্রিটিশ মিডিয়া শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকা বলেছে, সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে হামাসকে নিষিদ্ধ করা হবে। কেউ হামাসের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করলে, পতাকা উড়ালে বা হামাসের জন্য সভা আয়োজন করলে আইন ভঙ্গ করা হবে।
‘দ্য টাইমস’ জানিয়েছে, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল ওয়াশিংটনে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেবেন এবং আগামী সপ্তাহে এটি পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবেন।
এ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাতারে চলে আসবে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ গাজা-ভিত্তিক হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তকমা দিয়েছে।
যুক্তরাজ্য এখন পর্যন্ত কেবল হামাসের সামরিক শাখা ‘ইজ আল-দিন আল-কাসাম ব্রিগেড’ নিষিদ্ধ করেছে।
এবার হামাসকে নিষিদ্ধ করার যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তের খবরকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। এক টুইটার পোস্টে তিনি বলেন, “সহজ কথায় বলতে গেলে, হামাস একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।”
এনডিটিভি জানায়, গাজায় হামাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাজ্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা না আসা পর্যন্ত হামাস এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাবে না।
১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি শাখা। ইসরায়েলের অস্তিত্ব এবং শান্তি আলোচনার ঘোর বিরোধিতা করে আসছে এই দলটি। বরং এর পরিবর্তে দলটি ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ লড়াইয়ের জন্য সোচ্চার।
ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে সর্বসম্প্রতি বড় ধরনের সহিংসতা হয়েছে গত মে মাসে।
ওই সময় গাজায় ১১ দিনের লড়াই-সংঘাতে ফিলিস্তিনের হিসাবমতে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় মারা যায় ৬৬ শিশুসহ ২৫০ জন। আর ইসরায়েলের হিসাবমতে, ফিলিস্তিনের রকেট হামলায় ২ শিশুসহ ১৩ ইসরায়েলি নিহত হয়।
