Loading...

সৌদির আরও ২০ কোম্পানি বিনিয়োগে আগ্রহী: মোমেন

| Updated: March 17, 2022 13:07:36


সৌদির আরও ২০ কোম্পানি বিনিয়োগে আগ্রহী: মোমেন

সৌদি আরবের আরও ২০ কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার ঢাকা সফররত সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা আলোচনা করেছি, আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে সৌদি সরকার, সৌদি কোম্পানিগুলো আসতে চায়। যত ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া দরকার, আমরা তাদেরকে দেব।

ইতোমধ্যে ২০টি সৌদি কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। আশা করা যায়, খুব শিগগির বাস্তবায়ন হবে।

সংক্ষিপ্ত সফরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা পৌঁছান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফারহান। বুধবার দুপুরেই দেশের পথে রওনা হন তিনি।

তার এ সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়ার কথা আগে থেকে বলে আসছিল বাংলাদেশ সরকার। সফরকালে কাস্টমস সহজীকরণ নিয়ে দুদেশের মধ্যে একটি চুক্তিতে সই করেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল ও মোমেন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশে বিনিয়োগে বিভিন্ন সৌদি কোম্পানির আগ্রহের কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

এ প্রসঙ্গে প্রিন্স ফয়সাল বলেন, “কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়ে কিছু সৌদি কোম্পানি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে কাজ করছে। বিনিয়োগের এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে আরও বিস্তৃত করতে চাই।

আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিষয়ে খুবই আশাবাদী। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আরও অনেক সৌদি কোম্পানি বাংলাদেশে আসতে চায় এবং দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে আমরা অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের ‘আরও অনেক কিছুকরার আছে। এক্ষেত্রে কাজ করার জন্য ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাঠিক করার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের সঙ্গে ‘মতৈক্যে পৌঁছেছেনতিনি।

বিনিয়োগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের পাঁচ হাজার কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি এবং বিভিন্ন দেশে চুক্তিভিত্তিক কৃষিকাজে অংশীদার হতে ঢাকার আগ্রহের কথা সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান মোমেন।

এ বিষয়ে মোমেন বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের সবুজায়নে সৌদি আরব মহৎ উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। ৫০ বিলিয়ন গাছ লাগাতে চায় তারা। ১০ বিলিয়ন সৌদি আরবে, বাকিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে।

আমরা সেখানে পার্টনারশিপের জন্য উনাদের অনুরোধ করেছি। গাছও আমরা দিতে চাই। গাছের রক্ষণাবেক্ষণ, এটাকে বড় করার দায়দায়িত্ব আমরা নিতে চাই।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সৌদি আরব কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরাও তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর বেশ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমরা বলেছি, আমরা এ ব্যাপারে উনাদের সাথে কাজ করব।

তারা বিভিন্ন দেশে কনট্যাক্ট ফার্মিংয়ের আয়োজন করতেছে, সেখানেও তারা আমাদেরকে পার্টনার হিসেবে নিতে পারে। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ‘রাজনৈতিক পরামর্শ সভাহওয়ায় বর্তমান সুসম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমরা সলিড কোঅপারেশন নিয়ে কাজ করেছি। দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক ইস্যুতে আমরা সবসময় একসাথে কাজ করি।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সহযোগিতা বিস্তৃত করার ইচ্ছা প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে আমরা একে অপরকে সমর্থন দিব, আমরা সেটা ব্যক্ত করেছি। বহু ধরনের বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। এখন আমাদের কাজ হলো ফলোআপ করা এবং এগুলো বাস্তবায়ন করা।

Share if you like

Filter By Topic