জালিয়াতি-প্রতারণায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের সঙ্গে কী করে খাতির হয়েছিল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদের কাছে তা জানতে চাইলেন বিচারক। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
রিজেন্ট কেলেঙ্কারির মামলায় ডা. আজাদ বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে ঢাকা মহানগরের জ্যষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশ ২ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। সেই শুনানিতেই স্বাস্থ্যের ডিজিকে বিচারক ওই প্রশ্ন করেন।
লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে ‘সরকারি অর্থ আত্মসাতের’ অভিযোগে এ মামলা দায়ের করেছে দুদক।
রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আবুল কালাম আজাদসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে মামলার অভিযোগপত্রে।
শুনানি চলাকালে আবুল কালাম আজাদ বিচারককে বলেন, “আমি সারা জীবন কোনো অন্যায় করি নাই, আর কখনো অন্যায় করবোও না।
“সারা পৃথিবীতে করোনার যে অবস্থা, সেই অবস্থায় সচিব মহদোয়ের নির্দেশে… মানুষের জীবন বাঁচাতে এটা (রিজেন্টের সাথে চুক্তি) করতে হয়েছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সচিব মহদোয়ের সামনে (চুক্তি) স্বাক্ষর করা হয়েছিল।”
ওই চুক্তির সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “সাহেদ যে একজন প্রতারক, সেটা আমার জানা ছিল না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশে রিজেন্ট হাসপসতালের মাধ্যমে দৈনিক ৫০টি করেনা টেস্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
“কিন্তু মানব সেবার নামে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় করার জন্য টাকা নিচ্ছে রিজেন্ট হাসপাতাল এমনটা অভিযোগ পরে জানতে পারি। এরপর আমি সাথে সাথে বললাম, ওই দুটি শাখা (রিজেন্ট হাসপাতালের) বন্ধ হয়ে যাবে।”
