সদস্যদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে অনুষ্ঠিত হল জেসিআই বাংলাদেশ একাডেমি ২০২১


এফই অনলাইন ডেস্ক | Published: September 21, 2021 21:29:58 | Updated: September 24, 2021 16:36:13


সদস্যদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে অনুষ্ঠিত হল জেসিআই বাংলাদেশ একাডেমি ২০২১

ফাইন্ড ইয়োর চি প্রতিপাদ্য নিয়ে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল তথা জেসিআই-এর সদস্যদের জন্য জেসিআই বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জেসিআই বাংলাদেশ একাডেমি ২০২১।

দুই দিন ব্যাপী এ আয়োজন গত শুক্রবার ব্র্যাক সিডিএমে শুরু হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ২০২১ সালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, সাবেক ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট শাখাওয়াত হোসেন মামুন ও আহমেদ এ রহমান।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একাডেমি কীভাবে এর অংশগ্রহণকারীদের প্রকৃত সাহায্য করতে পারে, তা নিয়ে তারা বিশেষ মতামত প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, চি-এমন এক আধ্যাত্মিক শক্তি, যা আমাদের শারীরিকভাবে শক্তিশালী, মানসিকভাবে মনোযোগী, শক্তিমান এবং পুনরুজ্জীবিত হতে সাহায্য করে। এমনকি এটি আমাদের স্বাস্থ্য উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে।

করোনাভাইরাসের মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ অংশগ্রহণকারীদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল।

এই একাডেমিতে মোট সাতজন উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষক ছিলেন। তাঁরা হলেন: জেসিআই ওয়ার্ল্ড-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নাইজেরিয়ান প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সদস্য পাশক্যাল ডাইক, জেসিআই বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এম নজরুল ইসলাম, দক্ষ ফ্যাসিলিটেটর কাজী এম আহমেদ, ডন সামদানি ফ্যাসিলিটেশন অ্যান্ড কনসালটেন্সির প্রধান অনুপ্রেরণা কর্মকর্তা গোলাম সামদানি ডন, বেঙ্গল ক্যালিসথেনিক্স নামক একটি প্রগতিশীল ফিটনেস একাডেমি ও একটি কোচিং কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা তানভীর হাসান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইশতিয়াক আহমেদ, কোয়েস ক্রিয়েটিভ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং জেসিআই স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কমিটির সাবেক চেয়ারপার্সন মিশেলম্যাকগ্রান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সিওসি ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল ট্রেজারার জিয়াউল হক ভূঁইয়া। তাঁর সাথে কো-সিওসি হিসেবে ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল কমিটি চেয়ার মেহেদী হোসেন। অন্যান্য ন্যাশনাল অফিসার এবং লোকাল প্রেসিডেন্টরাও একাডেমিতে উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত ইভেন্টের টাইটেল স্পন্সর ছিল ওকোড এবং সাপোর্টিং পার্টনার ছিল কাজী প্রিন্টিং এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড। স্ন্যাকস পার্টনার ছিল আহমেদ ফুড প্রোডাক্টস (প্রাইভেট) লিমিটেড এবং পিজাওয়ালা বাংলাদেশ। হাইজিন পার্টনার ছিল ইন্ডিগো বায়োফার্মা এবং ফটোগ্রাফি পার্টনার ছিল প্রোফাইল। ওয়ারড্রোব পার্টনার ছিল ওয়ারাহ এবং পিআর পার্টনার ছিল ডি-কোঅর্ডিনেটর। পরিবহন পার্টনার ছিল যাত্রী এবং স্পন্সর ছিল নিসর্গ মার্ট, গিমিক পয়েন্ট এবং এস এফ ট্রেডিং কর্পোরেশন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেসিআই বাংলাদেশ আগামীতেও তার সদস্যদের উন্নয়নের জন্য সুযোগ প্রদান অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) একটি বিশ্বব্যাপী ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণ পেশাদার এবং নেতাদের সংগঠন। এই সংগঠনের মোট ১৪০ টি দেশ এবং বিশ্ব জুড়ে ২ লাখেরও বেশি সদস্য রয়েছে।

জেসিআই-এর মূল কাজ হলো, তরুণদের বিকাশের সুযোগ প্রদান করে বিশ্বসম্প্রদায়ের অগ্রগতি নেতৃত্বের দক্ষতা, সামাজিক দায়িত্ব, ফেলোশিপ এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টি করা। জেসিআই-এর অংশ হিসাবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, জেসিআই বাংলাদেশ তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ টি লোকাল চ্যাপ্টারের প্রায় এক হাজার সদস্য কাজ করছেন সমাজ এবং জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন করার জন্য।

Share if you like