দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করলেন লিটন দাস। ডানহাতি এই ওপেনারকে দারুণ সঙ্গ দিলেন মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেটে উপহার দিলেন রেকর্ড গড়া জুটি। বাকিটা অনায়াসে সারলেন বোলাররা। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ পেল ৮৮ রানের বড় জয়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই জিতল সিরিজ।
৮৮ রানের জয়ে শুধু সিরিজই নিশ্চিত হয়নি বাংলাদেশের, ইংল্যান্ডকে টপকে উঠে গেছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের শীর্ষে। ১৫ ম্যাচে ৯৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। ১৪ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো ১০০। থবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
এই উইকেটে ২৬০ রান ভালো স্কোর, টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার পর বলেছিলেন তামিম ইকবাল। তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের প্রথম দুইশ ছোঁয়া জুটিতে দলকে ৩০৬ রানের সংগ্রহ এনে দেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম।
পঞ্চম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ১৩৬ রান করেন লিটন। মুশফিক খেলেন ৮৬ রানের চমৎকার ইনিংস।
এলোমেলো বোলিং করা আফগানরা অতিরিক্ত থেকে দেয় ৩৩ রান। একবার করে জীবন দেন লিটন ও মুশফিককে।
বড় রান তাড়ায় প্রত্যাশিত শুরু পায়নি আফগানরা। কেবল একটা জুটি গড়ে ওঠে ফিফটি করা নাজিবউল্লাহ জাদরান ও রহমত শাহর ব্যাটে। সত্যিকার অর্থে জয়ের সম্ভাবনা সেভাবে কখনও জাগাতে পারেনি আফগানরা।
আগেও কখনও তিনশ রান তাড়া করে জিততে না পারা দলটি ২৯ বল বাকি থাকতে গুটিয়ে যায় ২১৮ রানে। বাংলাদেশ পায় ৮৮ রানের জয়। টানা ছয় জয়ের পর আফগানরা হারল টানা দুই ম্যাচে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩০৬/৪ (তামিম ১২, লিটন ১৩৬, সাকিব ২০, মুশফিক ৮৬, মাহমুদউল্লাহ ৬*, আফিফ ১৩*; ফারুকি ১০-১-৫৯-১, ফরিদ ৮-০-৫৬-২, মুজিব ১০-০-৪৯-০, ওমরজাই ৭-০-৩৭-০, রশিদ ১০-০-৫৪-১, নবি ৪-০-২৬-০, রহমত ১-০-১০-০)।
আফগানিস্তান: ৪৫.১ ওভারে ২১৮ (রহমত ৫২, রিয়াজ ১, শাহিদি ৫, ওমরজাই ৯, নাজিবউল্লাহ ৫৪, নবি ৩২, গুরবাজ ৭, রশিদ ২৯, মুজিব ৮, ফরিদ ৬*, ফারুকি ০; মুস্তাফিজ ৮-০-৫৩-১, শরিফুল ৭-০-৪৪-১, তাসকিন ১০-২-৩১-২, সাকিব ৯-০-২৯-২, মিরাজ ১০-০-৫২-১, মাহমুদউল্লাহ ১-০-২-১, আফিফ ০.১-০-০-১)
