Loading...

শিক্ষা বোর্ডের সনদে যেভাবে বসছে ফেল করা শিক্ষার্থীর তথ্য

| Updated: August 28, 2021 17:43:47


শিক্ষা বোর্ডের সনদে যেভাবে বসছে ফেল করা শিক্ষার্থীর তথ্য

গ্রেপ্তাররা হলেন- নূর রিমতি, জামাল হোসেন, এ কে এম মোস্তফা কামাল, মো. মারুফ, ফারুক আহম্মেদ স্বপন, মাহির আলমা ও আবেদ আলী।

শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রমনা ও চকবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হাফিজ আক্তার জানান, নূর তাবাসসুম নামের এক শিক্ষার্থীর মায়ের ফোনে একটি এসএমএস আসে, তার মেয়ের সার্টিফিকেটের নাম পরিবর্তন হয়ে নূর রিমতি হয়েছে। তারা স্কুলে গিয়ে যোগাযোগ করলে স্কুল থেকে শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে দেখা যায় এসএসসির পাশাপাশি পিএসসি, জেএসসির সার্টিফিকেটেরও নাম পরিবর্তন হয়ে গেছে।

পরে ভুক্তভোগীর পরিবার ধানমণ্ডি থানায় একটি মামলা করে। মামলার তদন্তের ভার নেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ আক্তার বলেন, “গ্রেপ্তার নূর রিমতি ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় রাজধানীর সিটি মডেল কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। কিন্তু তার ইতালি যাওয়ার জন্য এসএসসি সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল। জাল সনদ তৈরির জন্য তিনি তার মামা গ্রেপ্তার জামাল হোসেনের মাধ্যমে এ কে এম মোস্তফা কামালের সংগে তিন লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন।”

তিনি বলেন, “চুক্তি অনুযায়ী মোস্তফা কামাল শিক্ষা বোর্ডের দালাল চক্র গ্রেপ্তার মো. মারুফ, মাহবুব আলম, ফারুক আহম্মেদ স্বপন ও আবেদ আজাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নূর তাবাসসুমের জেএসসি এবং এসএসসি পাসের তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর তারা প্রথমে শিক্ষার্থীর বাবার নাম, মায়ের নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফরমেটে আবেদন করেন।

“শিক্ষা বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী টাকার বিনিময়ে বোর্ডের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট আর্কাইভে নির্ধারিত ফরমেটে সংরক্ষিত শিক্ষার্থী নূর তাবাসসুমের তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী নূর রিমতির তথ্যগুলো আপলোডের মাধ্যমে জাল সনদ তৈরি করেন। পরবর্তীতে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে নেন। এমনকি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও শিক্ষার্থীর পরিবর্তিত সংযোজিত তথ্য দেখায়।”

ডিবি কর্মকর্তা হাফিজ আক্তার জানান, এই প্রতারক চক্র ঢাকাসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, জন্ম তারিখসহ অন্যান্য তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন করে জাল সনদ তৈরির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Share if you like

Filter By Topic