Loading...

শাবির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসবেন শিক্ষামন্ত্রী

| Updated: January 22, 2022 10:20:20


শাবির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসবেন শিক্ষামন্ত্রী

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শুক্রবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন পাঠ্যক্রম নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয়ে আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু শিক্ষার্থীরা অনশন করছেন। আমি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা ভালো আছেন। কারও কোনো আশঙ্কাজনক অবস্থা নেই, সবাই সুস্থ আছেন।

যারা এখনও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের তিন জনকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গেও আমি কথা বলেছি। আমি চাই, তাদের একটি প্রতিনিধি দল আসলে তাদের সঙ্গে আমি কথা বলব। তারাও আসতে চাইছেন।”

আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেও যে কোন সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করার কথা জানিয়ে দীপু মনি বলেন, “আমি মনে করি, সেখানে শিক্ষার পরিবেশ যেন ভালো থাকে, সে কারণে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই।

আমাদের নেতারা আজও গেছেন। শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করছি তারাও আসবেন এবং আমরা সামনাসামনি বসে এই সমস্যার সমাধান করব।”

শাবিতে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে গত ১৩ জানুয়ারি রাতে আন্দোলনে নামেন ওই হলের শিক্ষার্থীরা।

এরপর গত রোববার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন আরও ব্যাপকতা পায় যখন পরদিন সোমবার বিকালে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েনের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পুলিশের লাঠিপেটাকে কেন্দ্র করে।

ওইদিন ধাওয়া-পাল্টার এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা করে, কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাসহ অন্তত অর্ধশত আহত হন।

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে উল্টো উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

ওই ঘটনায় পুলিশগুলি বর্ষণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিটের অভিযোগে’ অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করে।

আর শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করে, যা শুক্রবার তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে।

অনশনকালে ২৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে আট জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং বাকিদের স্যালাইন পুশ করা হয়েছে বলে জানান পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের (২০১৮-২০১৯) সেশনের শিক্ষার্থী অনশনরত শাহেরিয়ার আবেদীন ।

Share if you like

Filter By Topic