সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের তথ্য চাওয়া হয়নি দাবি করে দেশটির রাষ্ট্রদূত যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছে হাই কোর্ট।
এ বিষয়ে রোববার রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের ব্যাখ্যা শোনার পর বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাই কোর্ট বেঞ্চ থেকে এমন মন্তব্য আসে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
ঢাকায় সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শুয়ার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিল আদালত।
রোববার এ বিষয়ে শুনানিতে আদালত বলেছে, রাষ্ট্রদূতের ওই বক্তব্য বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে।
এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক; দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।
গত বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডিক্যাব টকে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শুয়ার বলেন, সুইস ব্যাংকের কাছে সুনির্দিষ্ট কারও তথ্য বাংলাদেশ চায়নি।
এই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার হাই কোর্ট সরকার ও দুদকের ব্যাখ্যা চায়। সে নির্দেশনা অনুসারে রোববার বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষ চারটি জাতীয় পত্রিকা এবং দুদক একটি পত্রিকার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
আদালত ওই প্রতিবেদন ও বক্তব্য হলফনামা আকারে দাখিলের নির্দেশ দিয়ে বিষয়টি ২১ অগাস্ট আদেশের জন্য রেখেছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক শুনানিতে বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সঠিক নয় বলেছেন। মিথ্যা বলেছেন।