করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে নয় মাস পিছিয়ে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার অংশ নেবে ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এবারের পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আগের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
এবার যারা পরীক্ষা দেবে, তাদের মধ্যে ১৮ লাখ ৯৯৮ জন আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি, ৩ লাখ ১ হাজার ৮৮৭ জন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং ১ লাখ ২৪ হাজার ২২৮ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভকেশনাল পরীক্ষার্থীয় বসবে।
মহামারী পরিস্থিতির কারণে এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে কেবল তিনটি নৈর্বচনিক বিষয়গুলোর পরীক্ষা নেওয়া হবে।
বাংলা, ইংরেজির মত আবশ্যিক বিষয়গুলোতে পরীক্ষা না নিয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
তিনি বলেছিলেন, এসএসসির ক্ষেত্রে জেএসসি এবং এইসএসসির ক্ষেত্রে জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের আবশ্যিক বিষয়গুলোর নম্বর দেয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো অ্যসাইনমেন্ট নেওয়া হচ্ছে না।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে গত বছরের মার্চে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কয়েক দফা উদ্যোগ নেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত এ বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষে ফেরানো সম্ভব হয়। এই দেড় বছরে কোনো পাবলিক পরীক্ষায় বসতে পারেনি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।
গত বছর মহামারীর আগে এসএসসি পরীক্ষা হয়ে গেলেও এইচএসসি পরীক্ষার আয়োজন করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা পিছিয়ে এসেছে নভেম্বরে।
১৪ নভেম্বর সকালে বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। পরদিন ১৫ নভেম্বর সকালে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, বিকালে হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষা হবে।
১৬ নভেম্বর সকালে রসায়ন (তত্ত্বীয়), ১৮ নভেম্বর সকালে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া (তত্ত্বীয়), ২১ নভেম্বর সকালে ভূগোল ও পরিবেশ এবং বিকালে ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের পরীক্ষা হবে।
