সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে সরিষার ভাল ফলন হয়েছে এবার। এই মৌসুমে মোট ১১,৪৩২ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে এই তৈলবীজ।
সরকারিসূত্রবলছে,গতবছরএবিভাগেরচারটিজেলায়৯,৩০০হেক্টরজমিতেসরিষা চাষ করাহয়েছিল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, এ অঞ্চলে প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ১.২ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদন হতে পারে এ বছর।
অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, হেক্টরপ্রতি ফলন এ বছর ভালো হবে। যদিও জমি প্রস্তুতে দেরি হওয়ায় গত দুই বছর কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল এবং ফলনও কিছুটা কম হয়েছিল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক দিলীপ কুমার অধিকারী বলেন, "শীতকালে বৃহত্তর সিলেটে প্রচুর জমিতে ফসল চাষ না হওয়ায় আমরা সাধারণ ও নতুন কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছি।"
এই কর্মকর্তা জানান, সিলেট বিভাগে সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও কয়েক বছর আগেও চাষবাস অনেকটা অবহেলিত ছিল। মধু সংগ্রহের মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ থাকায় অনেক কৃষক এখন সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, এ বছর এই অঞ্চলে ১১,৪৩২ হেক্টর জমিতে এই রবিশস্যের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩,৫৫০ হেক্টর যা গত বছর ছিল ২,৮৭০ হেক্টর, মৌলভীবাজারে ২,২৩২ হেক্টর যা গত বছর ছিল ১,৩৪৬ হেক্টর, হবিগঞ্জে ৩,৫০০ হেক্টর, যা গত বছর ছিল ৩,০১০ হেক্টর এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ২,১৫০ হেক্টর, যা গত বছর ছিল ১,৬২৭ হেক্টর।
এদিকে এ বছর অনেক মৌচাষী হবিগঞ্জ, সিলেট, ও মৌলভীবাজারের সরিষা ক্ষেতের মৌমাছির বাক্স থেকে মধু সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ফসলী জমি থেকে মধু সংগ্রহের জন্য অধিদপ্তর কয়েকটি বাক্স বিতরণ করেছে এবং ইতোমধ্যে জমিগুলোতে ৩০০টি বাক্স স্থাপন করা হয়েছে।