Loading...

বিয়ে করেই দেশের জন্য অস্ত্র হাতে রাস্তায় ইউক্রেনের যুগল

| Updated: February 26, 2022 10:50:46


বিয়ে করেই দেশের জন্য অস্ত্র হাতে রাস্তায় ইউক্রেনের যুগল

আসলে তাদের বিয়ে করার কথা ছিল আগামী মে মাসে। রাশিয়ার হঠাৎ হামলার পর ইউক্রেইনে বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে সামনের দিনগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন ইয়ারিনা আরিভা আর ভিয়াতোস্লাভ ফারসন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

রাশিয়ার হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মাথায় চার্চে গিয়ে গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। কিন্তু বিয়ের প্রথম দিনটি পেরুনোর আগেই ইউক্রেইনের হয়ে লড়তে আরেক শপথ নিতে হয়েছে তাদের।

সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাশিয়ার আগ্রাসী হামলা থেকে ইউক্রেইনকে রক্ষায় বিয়ের পরপরই অস্ত্র সংগ্রহে নেমেছে এই নবদম্পতি। 

তারা দুজনেই যোগ দিয়েছেন টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ফোর্সে। ইউক্রেইন সশস্ত্রবাহিনীর এই শাখা স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে গঠিত। হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের মোতায়েন করা হয়েছে কিয়েভের চারপাশে। 

অস্ত্র সংগ্রহের পর আরিভা ও ফারসন পৌঁছান ইউরোপীয়ান সলিডারিটি দলের অফিসে।

আরিভা বলেন, “আমাদের পক্ষে যা সম্ভব হবে আমরা করব। অনেক কিছুই করার আছে। শুধু এইটুকু প্রত্যাশা, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।”

রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এখন সাধারণ মানুষের হাতে যুদ্ধে নেমে আক্রমণ প্রতিহত করতে রাইফেল বিলি করছে ইউক্রেইন সরকার। শুক্রবার সাধারণ মানুষের কাছে এরকম ১৮ হাজার অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।

শহরে আসার কয়েটি সেতু ধ্বংস করে দিয়েছে ইউক্রেইনের বাহিনী। মলোটভ ককটেল বানানোর কৌশল জানিয়ে বিলি করা হচ্ছে লিফলেট।

দেশটির উত্তরাঞ্চলের বাইরে যেখানেই রুশ বাহিনীর ট্যাংক দেখা যাচ্ছে, পেট্রোল বোমা ছুড়ে ‘শক্রুকে গুঁড়িয়ে দিতে’ বলছে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

হাতের অস্ত্র দেখিয়ে সদ্য বিবাহিত আরিভা বলেন, “এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে এসব পাওয়া যাবে। আপনি কাগজে সই করে নিজ দেশকে বাঁচাতে এই যুদ্ধে নেমে পড়তে পারেন। এটাই এখন একমাত্র সমাধান।”

Share if you like

Filter By Topic