বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সুপার টুয়েলভের সব ম্যাচ হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও তাতে হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অনেক দিন যে খেলা বন্ধ ছিল, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একেই তো প্যানেডেমিকের সময়ে সে রকম ইয়ে হয়নি। মানে করোনার কারণে প্র্যাকটিস করতে পারেনি। তারপরও বাংলাদেশে আজকে বিশ্বকাপে খেলছে, বেশ কয়েকটি দেশকে হারাতে পেরেছে, এটাই তো বড় কথা। আমি বলব, যেটুকু পেরেছে আমি সেটাই।
তিনি বলেছেন, হ্যাঁ, যেটা আমরা আশা করেছিলাম, সেটা হয়নি। আমি কিন্তু আমাদের ছেলে-পেলেদের কখনো হতাশ করি না। তাদেরকে বলি আরো ভালো খেলো, আরো মনোযোগী হও, আরো প্র্যাকটিস করো।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সফরের অভিজ্ঞতা জানাতে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি ক্রিকেট নিয়েও প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বলেন, ক্রিকেট আপনি খুব মনোযোগ দিয়ে ফলো করেন, আমরাও করি। এবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যে পারফরমেন্স সেটা আমাদের সবাইকে হতাশ করেছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে, বোর্ডের মধ্যে, অনেক কথা। এই ব্যাপারে আপনার একটা মন্তব্য চাচ্ছি।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন, আপনি এত হতাশ হন কেন? আমি এই হতাশা দেখতে চাই না। কয়েকটা খেলা তো তারা খুব চমৎকার খেলেছে।
ওই সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন করেন শেখ হাসিনা; জানতে চান, তিনি কখনো ক্রিকেট খেলেছেন কি না, মাঠে গেছেন কি না, ব্যাট-বল ধরছেন কি না।
তারপর বলেন, ধরেননি, সেজন্য জানেননি। কখনো যে ব্যাট বলে ঠিক মত লাগবে, আর ছক্কা হবে এটা সব সময় সব অংকে মেলে না। এটাও বাস্তবতা।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আগামীর প্রস্তুতি যেন ভালো হয়, সেদিকে জোর দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাচ্ছি, আরো বেশি তাদেরকে ট্রেনিং করানো, আরো উন্নত খেলা যাতে খেলতে পারে সেজন্য। তাই কথায় কথায় এতো হতাশ হওয়া তো ঠিক না।
এটা আমাদের একটা মানসিক রোগের মত হয়ে গেছে। একটুতে হতাশ, আবার একটুতেই উৎফুল্ল। তো বেশি উৎফুল্ল হওয়া ভালো না, আবার বেশি হতাশ হওয়াও ভালো না। মাঝে মাঝে ধৈর্য্য ধরে থাকি, আগামীতে নিশ্চয় ভালো করবে।