গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে এক ব্যক্তিকে দুটি ভ্ন্নি প্রতিষ্ঠানের দুই ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা কেন্দ্রে মোস্তাফিজুর রহমান সাদা (৫৬) নামের ওই ব্যক্তিকে প্রথম ডোজ সিনোফার্ম ও দ্বিতীয় ডোজ অ্যাস্ট্রজেনেকার টিকা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার পর তাকে ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এতে শঙ্কার কিছু নেই বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।
টিকা গ্রহণকারী মোস্তাফিজুর রহমান সাদা উপজেলা শহরের জয়েনপুর এলাকার প্রয়াত ইছাহাক আলীর ছেলে।
মোস্তাফিজুর রহমান সাদা সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৪ জুলাই সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকা কেন্দ্রে তাকে প্রথম ডোজ সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, সোমবার [৯ অগাস্ট] সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে ক্ষুদেবার্তা পেয়ে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় একই কেন্দ্রে যান টিকা দিতে। সেখানে কর্মরত ব্রাদার (সেবক) আবু তাহেরকে টিকার কার্ডটি দিলে তিনি তাকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেন।
“পরে টিকা প্রদান কার্ডে টিকার নাম লেখার পর বিষয়টি নজরে আসে।”
তারপর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে জানান।
টিকা গ্রহণকারীর প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে এই ‘ভুলটি’ হয়েছে বলে টিকা প্রদানকারী আবু তাহের জানান।
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহীনুল ইসলাম বলেন, “তেমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নাই। ওই ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন আ. ক. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, “এটি তো হওয়ার কথা নয়। আমরা টিকা দেওয়ার জন্য পৃথক বুথ করে দিয়েছি। হয়ত ভিড়ের কারণে এই ভুল হতে পারে।”
তবে এতে রোগীর ক্ষতি হওয়ার ‘আশঙ্কা নেই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কেননা টিকার বেসিক উপাদান সবই প্রায় এক। তারপরও আমরা রোগীকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখব।”
তবে তিনি স্বাস্থ্যকর্মীর অবহেলার কথা স্বীকার করে বলেন, টিকার কার্ড দেখে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব স্বাস্থ্যকর্মীদের।