মহামারীতে দ্বিতীয় দফায় সাড়ে চার মাস বন্ধ থাকার পর পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন উন্মুক্ত হচ্ছে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো জানিয়েছেন, সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা অনুসরণ করে প্রতিটি লঞ্চ-জাহাজে সর্বোচ্চ ৭৫ জন যাত্রী বহন করার কথা বলা হয়েছে। ভ্রমণে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
এ সময় সুন্দরবনের করমজল, কটকা, কচিখালী, হরবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, দুবলা, নীলকমলসহ সমুদ্র তীরবর্তী এবং বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
মাহমারীর কারণে ২০২০ সালের ২৬ মার্চ থেকে সুন্দরবন ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হলে ২০২০ সালের ১ নভেম্বর থেকে স্বল্প পরিসরে সুন্দরবন ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়। সে সময়ে প্রতি জাহাজে ৫০ জন যাত্রী বহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৩ এপ্রিল আবার সুন্দরবনে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। গত সাড়ে চার মাস ধরে সুন্দরবন ভ্রমণ বন্ধ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খুলনায় প্রায় শতাধিক ট্যুর অপারেটর আছে। পর্যটনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন প্রায় ১৫০০ কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ট্যুর অপারেটরদের বিশাল ক্ষতি হয়েছে। কিছুটা হলেও তারা এখন ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।