দেশজুড়ে তাপদাহে ঘরে কিংবা বাইরে সবখানেই কাতর সবাই। তপ্তদুপুরে গরমের তীব্রতায় নাগরিক জীবনের এমন হাঁসফাঁস অবস্থার মধ্যে আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, স্বস্তির সুসংবাদ পেতে আরো অপেক্ষা করতে হবে।
সোমবার সকাল থেকেই বইছে গরম হাওয়া। রোদের তেজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে গরমের তীব্রতাও। আগের কয়েক দিনের চেয়ে তা যেন কিছুটা বেশিই।
জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানও জানান, বৈশাখের মাঝামাঝি সময় পার হচ্ছে এখন। এপ্রিলের শেষ সময়ে বৃষ্টি কম থাকায় বাতাসে গরমের তীব্রতা থাকে বেশি। ভ্যাপসা গরমে সর্বত্র অসহনীয় গরম অনূভূত হয়, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
২০১৪ সালের পর ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে; যশোরে সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এমন পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে উষ্ণ সময় পার হচ্ছে। টানা কয়েকদিনের খরতাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষ।
তীব্র গরমে শুধু দুপুরে নয়, রাতেও স্বস্তি পাচ্ছেন না নগরবাসী। কোথাও কোথাও বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপও।
আবহাওয়াবিদরা বলন, বৃষ্টি না থাকায় সহসা গরম কমার সুখবর নেই। এমন দাবদাহ আরও দুয়েকদিন অব্যাহত থাকবে। তবে সপ্তাহান্তে বজ্রবৃষ্টির আভাস রয়েছে। বৃহস্পতিবার-শুক্রবারের দিকে বৃষ্টি হতে পারে। এসময় তাপমাত্রা ১-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, টাঙ্গাইল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ফরিদপুর ৩৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মাদারীপুর ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গোপালগঞ্জ ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজশাহী ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঈশ্বরদী ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সৈয়দপুর ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, খুলনা ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মংলা ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চুয়াডাঙ্গা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুমারখালী ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, খেপুপাড়া ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সীতাকুন্ডু ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।