রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাসও প্রয়োজন।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিকিৎসকরা শরীরচর্চার পরামর্শ দেন, ধূপমান ও মদ্যপান বর্জন করতে বলেন এবং মেনে চলতে বলেন ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী খাদ্যাভ্যাস।
কার জন্য কেমন খাদ্যাভ্যাস আদর্শ সেটা চিকিৎসকের কাছ থেকে ঠিক করে নেওয়াই সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
তবে কিছু খাবার আছে যা সব ডায়াবেটিস রোগীর জন্যই উপকারী।
যারা প্রিডায়াবেটিস বা টাইপ টু ডায়াবেটিসয়ে ভুগছেন তাদের জন্য চিয়া সিডস বা বীজ হতে পারে আদর্শ খাবার।
সাধারণ মুদিখানা বা দোকানে এই বীজ-ধরনের খাবার পাওয়া না গেলেও সুপারশপগুলোতে পাওয়া যায়।
প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আর ভোজ্য আঁশ থাকে এতে। যা হজম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে অত্যন্ত উপকারী। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও এর ভূমিকা অসামান্য।
দ্য ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনয়ের মতে, প্রতিদিন চিয়া সিডস খাওয়া ইন্সুলিন রেজিস্ট্যান্স কমায়। আর এটাই ডায়াবেটিসের প্রধান সমস্যা।
২০২১ সালে কুয়েত ইউনিভার্সিটির করা গবেষণার জন্য, প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিস রোগীদের একটি দলকে ১২ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৪০ গ্রাম করে চিয়া সিডস খাওয়ানো হয়। আরেকদলকে তা খাওয়ানো হয় না।
দুই দলই এই সময়কালে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেছেন, শরীরচর্চা করেছেন একইভাবে, একই মাত্রায়।
দেখা যায়- যারা চিয়া সিডস খেয়েছেন তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা অপরদলের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কম।
এই গবেষণার বরাত দিয়ে ইটদিস ডটকময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, চিয়া সিডয়ের এই উপকারিতার পেছনে মূখ্য ভূমিকা রাখে এর ভোজ্য আঁশ। যা কি-না সল্যুবল ফাইবার।
এই ধরনের আঁশ আরও মেলে আপেল, ওটস, সীম ইত্যাদিতে। এই আঁশ হজমক্রিয়ার গতি কমায় ফলে রক্তে শর্করার মাত্রায় ভারসাম্য বজায় থাকে।