Loading...

বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে আমদানি খরচের প্রভাব

ডলারপ্রতি টাকার মান কমেছে; নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি

| Updated: September 26, 2021 16:46:44


ডলারপ্রতি টাকার মান কমেছে; নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি

গত এক মাসে প্রতি আমেরিকান ডলারে বাংলাদেশি মুদ্রার মূল্য কমেছে ৫০ পয়সা করে। এর ফলে আমদানির খরচ বেড়ে গেছে এবং বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীরা বলেন যে বৈশ্বিক বাজারে মুদ্রার বিনিময় মূল্য কমে যাওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তি হচ্ছে ভোক্তাদের।

তবে ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং দেশীয় মুদ্রার দাম হ্রাস পাওয়ার ফলে লাভ হচ্ছে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রবাসী ও রপ্তানিকারকদের।

বিভিন্ন সূত্র হতে জানা যায়, মূলত আমদানির খরচ পরিশোধের জন্য ডলারের উচ্চ চাহিদা এবং এর নিম্ন অর্থপ্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের বর্তমান অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী।

আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে গত সোমবারে ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল ৮৫.৩০ টাকা, যা আগস্টের ১৭ তারিখে ছিল ৮৪.৩০ টাকা। রবিবারে এই মূল্য ছিল ৮৫.২৫ টাকা।

বাজার পরিচালকদের মতে, আগস্টের ১৮ তারিখ থেকে বাজারে আমেরিকান ডলারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে দেশীয় মুদ্রার দাম কমা শুরু করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোর জন্য বৈদেশিক মুদ্রা তারল্য সহায়তা সম্প্রসারণ করেছে যেন তারা আমদানির খরচ পরিশোধ সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, “বাজার চাহিদার পাশাপাশি আমরা ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রা সহায়তা দিতে থাকব।”

একইসাথে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের চাহিদা পূরণ করতে গত সোমবার একটি রাষ্ট্রচালিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে ১০০ লক্ষ আমেরিকান ডলার বিক্রি করেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ অপেক্ষা বহিঃপ্রবাহ বেশি হওয়ায় টাকার অবমূল্যায়ন ঘটেছে, বিশ্লেষণ করেন বাজার পরিচালকেরা।

তারা আরো বলেন যে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে আরো চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

গত বছর কোভিড-১৯ অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় আগস্ট মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৬ কোটি আমেরিকান ডলার। এ বছরের আগস্টে তা ৮ শতাংশ কমে ১৮১ কোটিতে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতেই আমদানির খরচ ২২ শতাংশ বেড়ে ৪৭৬ কোটি আমেরিকান ডলারে পৌঁছেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩৯১ কোটি আমেরিকান ডলার।

Share if you like

Filter By Topic