দেশের বাজারে সিলিন্ডারে বিক্রি হওয়া তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম কেজিতে চার টাকা সাত পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন- বিইআরসি।
ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিকেজি এলপিজির খুচরা মূল্য ৭০ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জুলাই মাসের জন্য প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বুধবার বলেছে, বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম বাড়ায় এই দাম নির্ধারণ করতে হয়েছে।
আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সৌদি আরমকো কোম্পানির প্রোপেন ও বিউটেনের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির এই নতুন দর ঘোষণা করা হবে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “জুনে সৌদি আরামকোর কনট্রাক্ট প্রাইসের (সিপি) ভিত্তিতে জুলাই মাসের বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।”
নতুন মূল্যহার অনুযায়ী জুলাইয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৯১ টাকা; যা জুনে ৮৪২ টাকা এবং মে মাসে ৯০৬ টাকা ছিল।
নতুন দামে এলপিজির সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডার ৪০৮ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ৯২৮ টাকা, ১৫ কেজি ১১১৪ টাকা, ১৬ কেজি ১১৮৮ টাকা, ১৮ কেজি ১৩৩৭ টাকা, ২০ কেজি ১৪৮৫ টাকা, ২২ কেজি ১৬৩৩ টাকা, ২৫ কেজি ১৮৫৬ টাকা, ৩০ কেজি ২২২৮ টাকা, ৩৩ কেজি ২৪৫১ টাকা, ৩৫ কেজি ২৫৯৯ টাকা এবং ৪৫ কেজি ৩৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির আদেশে দেখা যায়, প্রোপেন-বিউটেনের মিশ্রণমূল্য পরিবর্তন হলেও রিটেইল চার্জ, ডিস্ট্রিবিউটর চার্জ, পরিবহন চার্জ, মূসক, মজুদকরণ চার্জ অপরিবর্তিত রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত (রেটিকুলেটেড পদ্ধতি) এলপিজির দাম প্রতি কেজি ৭১ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে; যা আগের মাসে ছিল ৬৭ টাকা ৮৭ পয়সা।
এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা জুন মাসে ৪১ টাকা ৭৪ পয়সা ছিল।
