জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে সম্ভাব্য প্রায় সবকিছুই পেল বাংলাদেশ।
দেশের বাইরে প্রতিপক্ষকে তৃতীয়বার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ মিলল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পঞ্চাশতম ওয়ানডে জয় এলো। এই প্রথম কোনো দলের বিপক্ষে জয়ের ফিফটি করতে পারল বাংলাদেশ।
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের ৩০ পয়েন্টের সবকটিও পেল বাংলাদেশ। ৮০ পয়েন্ট নিয়ে আরও সংহত হলো পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থান।
পেশাদার রান তাড়া
ব্যাটিং উইকেটে ২৯৯ রানের লক্ষ্য ছিল তাড়া করার মতোই। তবে প্রয়োজন ছিল টপ অর্ডারে কারও বড় রান আর কার্যকর জুটি। বাংলাদেশ করেছে ঠিক সেটিই।
ওপেনিংয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। টপ ও মিডল অর্ডারের অন্যরা বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও দিয়েছেন সঙ্গ। পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়ে উঠেছে চারটি। শেষটা দারুণ করেছেন নুরুল হাসান সোহান।
পরপর দুই বলে উইকেট হারানোর পর ক্রিজে গিয়ে সত্যিকারের ফিনিশারের মতো ব্যাট করে তিনি ফেরেন দলের জয় সঙ্গে নিয়ে। শেষ সময়ে দারুণ সঙ্গ দিয়ে তার কাজ সহজ করে তোলেন আফিফ হোসেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ৪৯.৩ ওভারে ২৯৮ (চাকাভা ৮৪, মারুমানি ৮, টেইলর ২৮, মায়ার্স ৩৪, মাধেভেরে ৩, রাজা ৫৭, বার্ল ৫৯, জঙ্গুয়ে ৪* টিরিপানো ০, চাতারা ১, মুজারাবানি ০; তাসকিন ১০-১-৪৮-১, সাইফ ৮-০-৮৭-৩, মুস্তাফিজ ৯.৩-০-৫৭-৩, মাহমুদউল্লাহ ১-০-৪৫-২, সাকিব ১০-০-৪৬-১, মোসাদ্দেক ২-০-১৩-০)।
বাংলাদেশ: ৪৮ ওভারে ৩০২/৫ (লিটন ৩২, তামিম ১১২, সাকিব ৩০, মিঠুন ০, মাহমুদউল্লাহ ০, সোহান ৪৫*, আফিফ ২৬*; মুজরাবানি ৮-০-৪৩-০, চাতারা ৮-০-৫৬-০, জঙ্গুয়ে ৭-০-৪৪-১, টিরিপানো ৭-০-৬১-২, মাধেভেরে ১০-০-৪৫-২, রাজা ৫-০-২৩-০, বার্ল ৩-০-২৩-০)।
