চট্টগ্রাম বন্দরে ভর দুপুরে একটি কন্টেইনার থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখে আতঙ্ক তৈরি হয় কর্মীদের মধ্যে।
তবে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনায় কোনো বিপদ ঘটেনি জানিয়ে বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, কর্মীরা কন্টেইনারটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পর ধোঁয়া ওড়াও বন্ধ হয়ে যায়।
“বন্দরের সাত নম্বর ইয়ার্ডে রাখা কন্টেইনারটিতে অ্যাসিড ছিল। সেটি থেকে সামান্য ধোঁয়া উঠেছে। সেটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তখন ধোঁয়া নির্গমনও বন্ধ হয়ে গেছে। কন্টেইনার খুলে সেখানে আগুন দেখা যায়নি।”
গত শনিবার সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর বিস্ফোরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার উদ্ধার হয়েছে আরও দুটি ‘দেহাবশেষ।’
এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার থেকে ধোঁয়া ওড়ায় সেখানে ওরকম আতঙ্ক দেখা দেয় বলে কর্মরতদের ভাষ্য। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
বন্দর সচিব ফারুক বলেন, আমদানি করা অ্যাসিডের ওই কন্টেইনার অনেক দিন ধরে বন্দরে পড়ে আছে। এসব অ্যাসিড দ্রুত নিলাম করতে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড রাখা ছিল রপ্তানির জন্য। ওই রাসায়নিকের কারণেই অগ্নিকাণ্ড ভয়ঙ্কর রূপ পেয়েছিল বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা।
ওই ঘটনার পর সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ৩০ হাজার ৪৫০ কেজি হাইড্রোজেন পার অক্সাইড নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
