চট্টগ্রামের পাহাড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হাতি হত্যার ঘটনায় দুজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
এরা হলেন- আব্দুল আলিম (৫০) ও তার ছেলে নিজাম উদ্দিন (২০)। তারা সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউনিয়নের হালুয়ার ঘোনার বাসিন্দা। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
বাঁশখালীর আমলি আদালতের বিচারক মো. মঈনুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) সফিকুল ইসলাম জানান।
তিনি বলেন, এদিন বাবা ছেলে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বন বিভাগের বাঁশখালী কালীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, লটমনি পাহাড়ের যে অংশে হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়, সেটি এওচিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত।
“হাতি থেকে ফসল রক্ষা করতে আলিম তার ছেলে ও মেয়ে জামাইকে নিয়ে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে ফাঁদ পেতেছিল। সেখানে বিদ্যুতায়িত হয়ে ৩০ নভেম্বর হাতিটি মারা যাওয়ার পর সেটি মাটি চাপা দিয়ে রাখে। হাতির মৃত্যুর খবর পেয়ে পরদিন মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।“
এ ঘটনায় আলিম, তার ছেলে নিজাম ও মেয়েজামাই ইউসুফকে (৩০) আসামি করে বাঁশখালীর আমলী আদালতে একটি মামলা করা হয়।
বনকর্মকর্তা সফিকুল বলেন, ফসল রক্ষা করতে কামাল ও নেজাম তাদের জমির আশেপাশে জিআই তার দিয়ে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতেছিল। সেখানে জড়িয়ে হাতিটি মারা যায়।
“হাতি ক্ষেতের ফসল নষ্ট করলে বনবিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। জমিতে বৈদ্যুতিক তার না দেওয়ার জন্য কৃষকদের কাছে বনবিভাগের পক্ষ থেকে প্রচারণাও চালানো হয়। তবু অনেকে জমিতে বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদ দিয়ে রাখে।
