করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে চলা গণ টিকাদান কর্মসূচিতে ‘ধারণার চেয়ে বেশি’ মানুষের চাপ সামলাতে হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
সোমবার কর্মসূচির তৃতীয় দিনেও মানুষের চাপ বাড়ায় সবাইকে টিকা দেওয়া যায়নি। টিকাকেন্দ্রে আসা মানুষের তুলনায় বরাদ্দ পাওয়া টিকার পরিমাণ কম থাকায় আগ্রহী অনেককে ফিরিয়ে দিচ্ছেন তারা।
ছয় দিনের এই কর্মসূচির প্রথম দুই দিনে ৩৫ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, বরাদ্দ পাওয়া টিকা কমে আসায় কোনো কোনো এলাকায় দৈনিক ডোজের পরিমাণও কমিয়ে আনতে হচ্ছে।
গত দুই দিনের মত সোমবারও ঢাকা মহানগরীর টিকাকেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ছিল। কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন আগ্রহীরা।
তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের টিকাকেন্দ্রগুলোতে দৈনিক ৩৫০ ডোজ টিকার বরাদ্দ থাকায় টিকা পাননি অনেকেই।
এত মানুষ টিকা নিতে আসবেন, সেটি যে ধারণার বাইরে ছিল; তা জানালেন ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান।
তিনি বলেন, “মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি মানুষের চাপ। সে তুলনায় টিকার সাপ্লাই দেওয়া যাচ্ছে না।”
সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা জেলার অন্য অংশগুলোতে গণটিকাদানের ‘লক্ষ্য অর্জন হয়ে’ যাওয়ায় এ কর্মসূচির আওতায় আর টিকা দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকাতেও কয়েকগুণ মানুষ কেন্দ্রে গেছেন টিকা নিতে। তবে পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় ডোজের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হয়েছে।
