খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে কিছুক্ষণ পরপরই আসছে কোভিড রোগী। অ্যাম্বুলেন্স করুণ সুর তুলে তো আসছেই। ইজিবাইকে আর ভ্যানে করেও আসছে।
অনেকের সঙ্গে রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। কিন্তু শুধু অক্সিজেন দিয়ে ভরসা পাননি স্বজনরা। তড়িঘড়ি নিয়ে এসেছেন হাসপাতালে। অনেকেরই অক্সিজেন সংগ্রহের সামর্থ্য হয়নি। তারা এসেছেন অক্সিজেন ছাড়াই।
হাসপাতালে আসার পর ভর্তির আগেই অক্সিজেন নিতে দেখা গেছে বেশির ভাগ রোগীকে। তাদের কারও কারও পজিটিভ। কেউ কেউ আসছেন উপসর্গ নিয়ে।
শুক্রবার সকালে বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
খুলনার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। শনাক্ত ও মৃত্যুতে প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে। এর গতি কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনও বলা কঠিন।
তাছাড়া চিকিৎসক সংকটসহ অপ্রতুল চিকিৎসা ব্যবস্থা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলে জানান তিনি।
এদিকে খুলনার চার হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৩ জন পজিটিভ রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
১০ জন মারা গেছেন বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক চিকিৎসক গাজী মিজানুর রহমান।
সাতজর মারা গেছেন খুলনা করোনাভাইরাস ডেডিকেটেড হাসপাতালে, জানিয়েছেন এখানকার চিকিৎসক সুহাস রঞ্জন হালদার।
পাঁচজন মারা গেছেন খুলনা সদর হাসপাতালে, জানিয়েছেন চিকিৎসক কাজী আবু রাশেদ।
একজনের মৃত্যু হয়েছে খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে, জানিয়েছেন এখানকার চিকিৎসক প্রকাশচন্দ্র দেবনাথ।
তাছাড়া আরও চারজন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বলে এই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।