এ বছর ঈদুল আজহার দিন সারা দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু, যা গতবারের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।
ঈদের পরদিন সোমবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জবাই হওয়া পশুর প্রায় অর্ধেকের মত গরু ও মহিষ, বাকিটা ছাগল, ভেড়া এবং অন্যান্য পশু।
গতবছর সারা দেশে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি গবাদি পশু কোরবানি হয়েছিল ঈদে। এই হিসেবে এ বছর পশু কোরবানি বেড়েছে ৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫২১টি বা ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
তার আগের বছর ঈদে ৯৪ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল বলে জানিয়েছিল প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গত দুইবছরই কোরবানি কমে গিয়েছিল।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে মোট এক কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি কোরবানিযোগ্য পশু ছিল এবার। আর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছিল ৯৭ লাখ ৭৫ হাজার ৩২৫টির। সেই হিসেবে প্রত্যাশার চেয়ে বেশিই বিক্রি হয়েছে এবার।
রাজধানীতে পশু হাট গুলোতে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার বাইরে অল্প কিছু উট ও দুম্বা বেচাকেনার জন্য আসে। ঈদের আগের দিন রাতে রাজধানীর কিছু হাটে গরুর সংকটও দেখা দিয়েছিল।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘ডিজিটাল পশু হাট’ এ এবার ৭৩০ কোটি টাকার পশু বিক্রি হয়েছে।
ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আঞ্চলিক হাটে ৫৯ হাজার ৪৮১টি এবং খামারিদের কাছ থেকে ১৭ হাজার ৫০২টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এটুআই।
