Loading...

কুতুবদিয়া, নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়ায় শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আসছে

| Updated: August 13, 2021 11:05:05


কুতুবদিয়া। ফাইল ছবি/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কুতুবদিয়া। ফাইল ছবি/বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

দেশব্যাপী শতভাগ মানুষকে বিদ্যুত সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে দ্বীপ এলাকা হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়াকে জাতীয় গ্রিডের অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।

 কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে মাতারবাড়ি থেকে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ যাবে।

নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হবে নিঝুম দ্বীপে।

এসব এলাকায় সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সায় পেয়েছে।

‘হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর জিডি-২’ এর কাজটি ১৪৮ কোটি ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৬৫ টাকায় করবে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের একটি কনসোর্টিয়াম।

বাংলাদেশের পাওয়ার সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে রয়েছে মালয়েশিয়ার জেএটিআই ও মিয়ানমারের ইয়াংগিন।

পিডিবির প্রকল্প পরিচালক ফারুক আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এই প্রকল্পের আওতায় তিনটি দ্বীপে মোট ৭২০ কিলোমিটার সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন স্থাপন করা হবে।

এছাড়া কক্সবাজারের মাতারবাড়ি থেকে মগনামা ঘাট পর্যন্ত ৩৩ কেভি রিভার ক্রসিংসহ লাইন নির্মাণ করা হবে। মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া ৫ কিলো ডাবল সার্কিট সাবমেরিন লাইন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া রয়েছে কুতুবদিয়ায় দুই কিলোমিটার ওভার হেডলাইন ও বিতরণ লাইন।

এই প্রকল্পের আওতায় নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে তিনটি সাব স্টেশন নির্মাণ করা হবে। হাতিয়া থেকে ১১ কেভি সাবমেরিন লাইনের মাধ্যমে নিঝুম দ্বীপে বিদ্যুৎ নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যেই হাতিয়ায় ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটা আইপিপি বা বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয়েছে।

আগামী ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এসব কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প পরিচালক।

Share if you like

Filter By Topic